সোমবার
১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬, ০৮:৪২ এএম
সংগৃহীত
expand
সংগৃহীত

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে পৌঁছেছে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ। উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সকসারজেন অঞ্চল। সেখানে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এ পর্যন্ত ৩১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে উদ্ধারকারী দলগুলো কাজ করছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কারণে বহু ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে অন্তত ১০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং অনেক পরিবার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

সোমবার স্থানীয় সময় ভোরে দক্ষিণ ফিলিপাইনের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রবলভাবে কেঁপে ওঠে। ভূমিকম্পের মাত্রা নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার তথ্যের মধ্যে সামান্য পার্থক্য থাকলেও এটি ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী কম্পন, যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বহু এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়।

ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অব ভলক্যানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজির প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মিন্দানাও দ্বীপের জেনারেল সান্তোস সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নিকটবর্তী এলাকায়। ভূমিকম্পটি ভূগর্ভের অল্প গভীরতায় সংঘটিত হওয়ায় এর প্রভাব বেশি অনুভূত হয়।

অন্যদিকে, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ভূমিকম্পটির মাত্রা ৭ দশমিক ৮ বলে উল্লেখ করেছে। এত উচ্চমাত্রার কম্পনের ফলে বহু ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে সড়ক যোগাযোগও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভূমিকম্পের পরপরই প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র সম্ভাব্য সুনামির বিষয়ে সতর্কতা জারি করে। প্রাথমিকভাবে ফিলিপাইনের কয়েকটি উপকূলীয় এলাকায় বড় ঢেউ আঘাত হানার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার কিছু উপকূলীয় এলাকাকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়।

তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, বড় ধরনের সুনামির ঝুঁকি নেই। ফলে পরবর্তী সময়ে জারি করা সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।

ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে। দুর্গত মানুষের জন্য খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
UPCOMING
Spain VS Cape Verde
Scheduled
15 Jun, 10:00 PM
VS
World Cup