

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা পবিত্র রমজানের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের জ্যোতির্বিদ ও ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ এখন আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন নতুন চাঁদ দেখার অপেক্ষায়।
ইসলামি বর্ষপঞ্জি অনুসারে রমজান মাসের সূচনা হয় শাবান মাসের চাঁদ দেখার পর। তাই বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট তারিখ নিশ্চিত করা হয় না।
তবে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ সংস্থা ও আবহাওয়া বিভাগগুলোর হিসাব বলছে, ২০২৬ সালে রমজান শুরু হতে পারে ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে।
বাংলাদেশে রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১৯ ফেব্রুয়ারি ধরা হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী ওই দিন থেকে রোজা শুরু হতে পারে। তবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকের পর চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।
পাকিস্তানেও একই দিনে রমজান শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। দেশটির আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী নতুন চাঁদের জন্ম হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল পাঁচটা এক মিনিটে পাকিস্তান সময় অনুযায়ী। ১৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার অনুকূল পরিবেশ থাকার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে ভারতে অন্যান্য বছরের মতো এবারও স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার পর রমজানের তারিখ ঘোষণা করা হবে। দেশটির গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী সেখানে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হতে পারে। তবে চাঁদ দেখা না গেলে তারিখ এক দিন পিছিয়েও যেতে পারে।
ফিলিপাইনে রমজান শুরু হতে পারে এক দিন আগে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী সেখানে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরুর সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে। তবে বাংগসামোরো দারুল ইফতা এবং ন্যাশনাল কমিশন অন মুসলিম ফিলিপিনোসের আনুষ্ঠানিক চাঁদ দেখা ঘোষণার পরই দিনটি নিশ্চিত হবে।
এশিয়ার বাইরে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতেও রমজান শুরুর প্রস্তুতি চলছে। মিসরের পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী সেখানেও ১৯ ফেব্রুয়ারি রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশটির ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ আল আজহার ও দারুল ইফতা চাঁদ দেখার ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ঘোষণা দেবে।
মন্তব্য করুন

