

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক হওয়ার স্বীকৃতি পেয়েছিলেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। কিন্তু সেই মাইলফলক ছোঁয়ার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই আবারও সেই অবস্থান হারাতে হলো তাকে। শেয়ারবাজারে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের দরপতনের প্রভাবে তার মোট সম্পদ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে।
তবে এই বড় অঙ্কের পতনের পরও তিনি বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তির অবস্থান ধরে রেখেছেন।
গত ১২ জুন মাস্কের রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। লেনদেন শুরু হওয়ার পর থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়তে থাকে। এতে স্পেসএক্সের বাজারমূল্য ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। কোম্পানিটির ৪২ শতাংশ মালিকানা থাকায় মাস্কের সম্পদও দ্রুত বেড়ে ১.১১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। পরে ১৬ জুনের মধ্যে তা সর্বোচ্চ ১.৩২ ট্রিলিয়ন ডলারে উঠে ইতিহাস গড়ে।
কিন্তু বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের ভবিষ্যৎ আয় ও ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়লে প্রযুক্তি শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন ঘটে। এর প্রভাব পড়ে স্পেসএক্সেও, যেখানে শেয়ারের দাম এক পর্যায়ে ৩০ শতাংশের বেশি কমে যায়।
সোমবার (২২ জুন) একদিনেই স্পেসএক্সের শেয়ারের প্রায় ১৬ শতাংশ পতনের ফলে মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদ থেকে আনুমানিক ২৪০ বিলিয়ন ডলার কমে যায়। পরের দিন টেসলার শেয়ারের দাম আরও ৬ শতাংশ কমে যাওয়ায় তার ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ে।
ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, বর্তমানে ইলন মাস্কের মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৫৭ বিলিয়ন ডলারে।
বিশ্লেষকদের মতে, মাস্কের সম্পদ মূলত দুটি বড় প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল—স্পেসএক্স এবং টেসলা। এর মধ্যে বড় অংশই স্পেসএক্স-নির্ভর। তবে তারা বলছেন, শেয়ারবাজারে স্পেসএক্সের মূল্য সামান্য ঘুরে দাঁড়ালেই মাস্ক আবারও ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে ফিরতে পারেন।
কিছু বিশ্লেষকের ধারণা, ভবিষ্যতে তিনি হয়তো একাধিকবার ট্রিলিয়নেয়ার হওয়ার বিরল রেকর্ডও গড়তে পারেন।
