

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মার্কিন ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য যাচাই আরও জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে নির্দিষ্ট কিছু নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদনকারীদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টের প্রাইভেসি সেটিংস ‘পাবলিক’ বা উন্মুক্ত রাখার নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।
শুক্রবার (৫ জুন) সব অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীদের উদ্দেশে এই বার্তা দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।
বার্তায় বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে এ-৩, সি-৩ (গৃহকর্মী হলে), জি-৫, এইচ-৩ এবং তাদের নির্ভরশীল এইচ-৪, কে-১, কে-২, কে-৩, কিউ, আর-১, আর-২, এস, টি এবং ইউ ভিসার জন্য আবেদনকারী সব অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীকে তাদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিংস 'পাবলিক' বা উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের যোগ্যতা ও পরিচয় যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সহজ করতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বার্তায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ভিসা প্রদান প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে যাতে আবেদনকারীরা দেশটির আইন, নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি কোনও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবেশ না করেন। একইসঙ্গে আবেদনকারীদের বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রমাণ করতে হবে যে তারা তাদের ভিসার শর্ত অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিসা আবেদন পর্যালোচনায় জাতীয় নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই এমন কোনো তথ্য রয়েছে কি না, যা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা জনস্বার্থের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তা যাচাইয়ে বিভিন্ন উৎসের তথ্য ব্যবহার করা হয়।
একই সঙ্গে মার্কিন প্রশাসন আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, ভিসা পাওয়া কোনো মৌলিক অধিকার নয়; বরং নির্ধারিত শর্ত পূরণ ও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে এটি প্রদান করা হয়। ফলে আবেদনকারীদের তথ্যের স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা ভিসা প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
