

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, আর্সেনাল ও অ্যাস্টন ভিলার সাবেক গোলরক্ষক জিমি রিমার ৭৮ বছর বয়সে মারা গেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গোল ডটকম।
২০ বছরের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে রিমার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও অ্যাস্টন ভিলার হয়ে একটি করে ইউরোপিয়ান কাপ জিতেছেন। তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন ছিল এই দুটি শিরোপা।
ল্যাঙ্কাশায়ারে জন্ম নেওয়া রিমার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের যুব দলে উঠে আসেন। ১৯৬৮ সালে বেনফিকার বিপক্ষে ইউরোপিয়ান কাপের ফাইনালে ইউনাইটেডের শিরোপাজয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি, যদিও ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নামেননি।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নয় বছর কাটালেও বেশির ভাগ সময়ই তাকে অ্যালেক্স স্টেপনির বিকল্প গোলরক্ষক হিসেবে থাকতে হয়েছে। ১৯৭৪ সালে তিনি আর্সেনালে যোগ দেন।
তিন বছর পর অ্যাস্টন ভিলায় যোগ দেওয়ার পর তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সফল অধ্যায় শুরু হয়। ক্লাবটির হয়ে তিনি ২২৯টি লিগ ম্যাচ খেলেন এবং ১৯৮২ সালের ইউরোপিয়ান কাপ অভিযানের প্রতিটি ম্যাচেই গোলরক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন।
তবে ওই আসরের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র নয় মিনিট পরই তাকে বদলি করা হয়। শেষ পর্যন্ত অ্যাস্টন ভিলা ম্যাচটি জিতে ইউরোপিয়ান কাপের শিরোপা ঘরে তোলে।
রিমারের মৃত্যুতে অ্যাস্টন ভিলা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘৭৮ বছর বয়সে ইউরোপিয়ান কাপজয়ী জিমি রিমারের মৃত্যুর খবর শুনে অ্যাস্টন ভিলা গভীরভাবে শোকাহত। এই কঠিন সময়ে জিমির পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি ক্লাবের সবার সমবেদনা।’
রিমারের সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সতীর্থ অ্যালেক্স স্টেপনিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘জিমি রিমারের মৃত্যুর খবর শুনে খুবই দুঃখিত। শান্তিতে ঘুমাও। জিমির পরিবারকে আমার ভালোবাসা।’
এর এক দিন আগেই স্টেপনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, রিমারের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। একই সঙ্গে সাবেক সতীর্থের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছিলেন তিনি।
১৯৮৩ সালে অ্যাস্টন ভিলা ছাড়ার পর রিমার তিন বছর সোয়ানসি সিটিতে খেলেন। ১৯৮৬ সালে মাল্টার হামরুন স্পার্টানস ও লুটন টাউনে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য খেলেন তিনি।
ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়েও রিমার মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন। আর্সেনালে থাকার সময় ইতালির বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।

