

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভেনেজুয়েলা–সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ট্রাম্প প্রশাসনের অনানুষ্ঠানিক উপদেষ্টা মাউরিসিও ক্লেভার-ক্যারন দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তার বিদায়ের কারণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য সামনে এলেও বিষয়টি ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
মিয়ামিভিত্তিক এই ব্যবসায়ী আনুষ্ঠানিক সরকারি দায়িত্বে না থাকলেও সরাসরি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কাজ করতেন। চলতি বছরের শুরুতে ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল নির্ধারণে তিনি অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পান। বিশ্লেষকদের কেউ কেউ তাকে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘অনানুষ্ঠানিক দূত’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।
ক্লেভার-ক্যারনের দাবি, তিনি স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়েছেন। তবে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তাকে পদ ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল।
ভেনেজুয়েলার নতুন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের প্রশাসনের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ ও সমন্বয়ে ক্লেভার-ক্যারনের ভূমিকা ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন উদ্যোগে তিনি সক্রিয় ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় মার্কিন প্রতিষ্ঠান সেন্টারভিউ পার্টনার্স-কে বড় অঙ্কের একটি চুক্তি পেতে সহায়তা করার ক্ষেত্রেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। একই সঙ্গে দেশটির তেল খাত–সংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনায়ও তিনি প্রভাব রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া ভেনেজুয়েলা সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য সংলাপ আয়োজনের ক্ষেত্রেও তিনি পর্দার আড়ালে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
তবে ক্লেভার-ক্যারনের দায়িত্ব ছাড়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তার বিদায়ের ফলে ভেনেজুয়েলা–সংক্রান্ত মার্কিন নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়।