

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গোলটা হওয়ার পর কয়েক সেকেন্ড যেন কেউ বিশ্বাসই করতে পারছিল না। তারপরই হিউস্টনের গ্যালারিতে শুরু হয় উল্লাসের বিস্ফোরণ। নীল জার্সিধারী সমর্থকদের আনন্দে ভেসে যায় স্টেডিয়াম। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম গোল, আর প্রতিপক্ষ জার্মানি—কুরাসাওয়ের জন্য এর চেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত আর কী হতে পারত!
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলা দেশটি শুরুতেই বুঝিয়ে দিল, তারা শুধু অংশ নিতে আসেনি। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরেছিল ক্যারিবীয় অঞ্চলের ছোট্ট দ্বীপদেশটি।
ম্যাচের শুরুতে অবশ্য জার্মানির আধিপত্যই ছিল স্পষ্ট। ষষ্ঠ মিনিটে ফ্লোরিয়ান ভির্টজের পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফেলিক্স এনমেচা। এরপরও একের পর এক আক্রমণে কুরাসাওকে চাপে রাখে ইউরোপিয়ান দলটি।
কিন্তু ধীরে ধীরে ম্যাচে নিজেদের খুঁজে পায় কুরাসাও। ২১তম মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। জার্মান রক্ষণভাগের ভুলে বল পেয়ে যান লিভানো কোমেনেসিয়া। সুযোগটি কাজে লাগাতে ভুল করেননি তিনি। তাঁর শট ঠেকাতে পারেননি ম্যানুয়েল নয়্যার। বল জালে জড়াতেই ইতিহাসের জন্ম।
তবে রূপকথার সেই মুহূর্ত দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ৩৮তম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে হেড করে জার্মানিকে আবারও এগিয়ে দেন নিকো শ্লটারবেক।
এরপর প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে মুহূর্তে পেনাল্টি পায় জার্মানি। জার্মানির মিডফিল্ডার ফেলিক্স এনমেচা কুরাসাওয়ের বক্সে ফাউলের শিকার হন যোগ করা সময়ে।
এই গোলে ৩-১ ব্যবধান নিয়ে বিরতিতে গেছে দু’দল।
