

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে দুর্দান্ত এক প্রথমার্ধ উপহার দিয়েছে ইংল্যান্ড। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ফ্রান্সের বিপক্ষে বিরতিতে যাওয়ার আগেই ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে এগিয়ে গেছে টমাস টুখেলের দল।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা ইংল্যান্ড ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায়। ডেকলান রাইসের দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় আসে প্রথম গোল।
১৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এজরি কনসা। কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে নিখুঁত হেডে জাল খুঁজে নেন ইংলিশ এই ডিফেন্ডার।
এরপর ৩৭ মিনিটে বুকায়ো সাকা গোল করে ইংল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আবারও গোল করেন এই উইঙ্গার। মার্কাস রাশফোর্ডের বাড়ানো বল থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি করে ফ্রান্সকে বড় ধাক্কা দেন তিনি।
অন্যদিকে, সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হারের হতাশা কাটিয়ে উঠতে পারেনি ফ্রান্স। পুরো প্রথমার্ধে কিলিয়ান এমবাপ্পেদের আক্রমণভাগ ছিল অনেকটাই নিষ্প্রভ। মাঝমাঠ ও রক্ষণে বারবার ভুলের সুযোগ নিয়ে একের পর এক আক্রমণ চালায় ইংল্যান্ড।
গোল্ডেন বুটের দৌড়ে থাকা এমবাপ্পেও প্রথম ৪৫ মিনিটে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেননি। ইংল্যান্ডের শক্তিশালী রক্ষণভাগের সামনে তাকে কার্যত আটকে রাখা হয়।
প্রথমার্ধের দাপুটে পারফরম্যান্সে ব্রোঞ্জ পদকের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড। এখন দেখার বিষয়, দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স ঘুরে দাঁড়াতে পারে, নাকি বড় ব্যবধানের হার নিয়েই বিশ্বকাপ মিশন শেষ করতে হয় এমবাপ্পেদের।
