

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে নিজের খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখতে চাইছেন স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন, আবেগ বা উসকানির ফাঁদে পা দিলে চলবে না। তার মতে, ম্যাচ জয়ের একমাত্র পথ হলো নিজেদের স্বাভাবিক ও পরিকল্পিত ফুটবল খেলা।
স্পেনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন টিভিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, পুরো টুর্নামেন্টে যে খেলার ধরণ অনুসরণ করে দল সফল হয়েছে, ফাইনালেও সেটিই ধরে রাখতে হবে।
স্প্যানিশ কোচের ভাষায়, তার দল কখনোই অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক বা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে স্বস্তি বোধ করে না। তাই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে খেলোয়াড়দের মাথা ঠান্ডা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই মন্তব্য কোনোভাবেই আর্জেন্টিনাকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। তার মতে, ম্যাচে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা আগে থেকে বলা সম্ভব নয়। তাই প্রতিপক্ষের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের খেলাতেই মনোযোগ দিতে হবে।
দে লা ফুয়েন্তে বলেন, বল নিজেদের দখলে থাকলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে, আর বল হারালে দ্রুত ও সংগঠিতভাবে তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করতে হবে। এটিকেই তিনি স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
ফাইনালের আগে দলের তরুণ উইঙ্গার লামিন ইয়ামালের প্রতিও আস্থা প্রকাশ করেছেন স্প্যানিশ কোচ। তার বিশ্বাস, ১৯ বছর বয়সী এই ফুটবলারের সেরা পারফরম্যান্স এখনো দেখা বাকি। তবে বড় ম্যাচের চাপ সামলে স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারলেই ইয়ামাল নিজের সেরাটা তুলে ধরতে পারবেন বলে মনে করেন তিনি।
ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা। স্কালোনির সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন দে লা ফুয়েন্তে। তিনি জানান, দুজনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে এবং আর্জেন্টিনা কোচের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগও পেয়েছেন।
স্প্যানিশ কোচের মতে, এত তারকাসমৃদ্ধ একটি দলকে যেভাবে স্কালোনি পরিচালনা করেছেন, তা প্রশংসার দাবিদার। তবে মাঠে সেই সম্পর্কের কোনো প্রভাব থাকবে না। কারণ ফাইনালে দুজনই নিজেদের দেশের জন্য জয়ের লক্ষ্য নিয়েই লড়বেন।
আত্মবিশ্বাসের সুরে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, তার দল যদি পুরো আসরে দেখানো ছন্দ, শৃঙ্খলা ও আক্রমণাত্মক ফুটবল ধরে রাখতে পারে, তাহলে বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের সম্ভাবনাও অনেকটাই উজ্জ্বল হবে।
