

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, অফিসিয়াল ম্যাচ বা ম্যাচ-সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, ধর্মীয় কিংবা ব্যক্তিগত বার্তা প্রদর্শন নিষিদ্ধ। তাই ঘটনাটি নিয়ে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা তদন্ত শুরু করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শনের ঘটনায় শাস্তি দেওয়ার নজির রয়েছে ফিফার। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে জাপানকে হারানোর পর দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবলার পার্ক জং-উ বিতর্কিত লিয়াংকোর্ট রকস (দক্ষিণ কোরিয়ায় ডকদো এবং জাপানে তাকেশিমা) নিয়ে নিজের দেশের দাবির সমর্থনে একটি ব্যানার প্রদর্শন করেছিলেন।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় ফিফা। পার্ককে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। তার ১৭ সতীর্থ ব্রোঞ্জ পদক গ্রহণ করলেও তিনি মঞ্চে উঠতে পারেননি। পরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাকে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়।
এ ধরনের ঘটনায় আগেও শাস্তির মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। ২০১৪ সালে ‘Las Malvinas son Argentinas’ (বাংলায়: মালভিনাস বা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার) লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে জরিমানা করেছিল ফিফা।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারও সবচেয়ে সম্ভাব্য শাস্তি হতে পারে এএফএর বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা। তবে ব্যানার প্রদর্শনে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধেও ব্যক্তিগত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তবে বিশ্বকাপের ফাইনাল সামনে থাকায় এবং ঘটনায় একাধিক ফুটবলার জড়িত থাকায় ফাইনালের আগে তাদের নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
এদিকে, এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা বিবৃতি দেয়নি ফিফা। ফলে আর্জেন্টিনার কোনো খেলোয়াড় ফাইনাল মিস করবেন, নাকি বিষয়টি কেবল আর্থিক জরিমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, তা এখনো অনিশ্চিত।
