

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্যারাগুয়ের বিপক্ষে বল দখলে একপেশে দাপট দেখালেও প্রথমার্ধজুড়ে বড় কোনো গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট ফ্রান্স।
শুধু তাই নয়, এ সময় কোনো দলই অন-টার্গেটে শট রাখতে পারেনি—যা ১৯৬৬ সালের পর কোনো নকআউট ম্যাচে মাত্র তৃতীয়বারের মতো ঘটেছে।
এর আগে ১৯৯০ বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানি-আর্জেন্টিনা এবং ২০০৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল-ফ্রান্স ম্যাচের প্রথমার্ধেও কোনো পক্ষই লক্ষ্যে শট রাখতে পারেনি। সেই তালিকায় এবার যোগ হলো ফ্রান্স–প্যারাগুয়ে ম্যাচ।
পরিসংখ্যানে ফ্রান্সের আধিপত্য স্পষ্ট ছিল। তারা ৭৪ শতাংশ বলের দখল রাখে এবং মোট ৫টি শট নেয়, তবে সবকটিই অফ-টার্গেট। বিপরীতে প্যারাগুয়ে মাত্র দুটি শট নেয়, তবে তারাও লক্ষ্যে রাখতে ব্যর্থ হয়।
শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে টাইব্রেকারে জার্মানিকে বিদায় করে আসা প্যারাগুয়ে মূলত ফ্রান্সের আক্রমণ ঠেকাতেই ব্যস্ত ছিল। এ সময় একাধিকবার ফাউলের শিকার হন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। ৩৬ মিনিটে তার সঙ্গে প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডার আন্দ্রেস কুবেসের কথাকাটাকাটি হয়, পরে রেফারির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
দিদিয়ের দেশমের দল আক্রমণ গুছিয়ে তুলতে সংগ্রাম করলেও প্যারাগুয়ের সংগঠিত রক্ষণভাগ তাদের বারবার থামিয়ে দেয়। এছাড়া ফিলাডেলফিয়ার তীব্র গরমও ম্যাচের গতি ও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ম্যাচ শুরুর সময় তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল বলে জানা যায়।


