

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে রবিবার (৫ জুলাই) নরওয়ের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পাশাপাশি ম্যাচটি সেলেসাওদের সামনে এনে দিয়েছে ২৪ বছরের এক অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সুযোগ।
২০০২ সালে জার্মানিকে হারিয়ে সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে নকআউট পর্বে আর কোনো ইউরোপীয় দলকে হারাতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরপর ২০০৬ থেকে ২০২২—প্রতিটি বিশ্বকাপেই নকআউট পর্বে ব্রাজিলের বিদায় নিশ্চিত করেছে ইউরোপের কোনো না কোনো দল।
২০০৬ সালে ঘানাকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও শেষ আটে ফ্রান্সের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নেয় ব্রাজিল। ২০১০ বিশ্বকাপে একই পরিণতি হয় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। ২০১৪ সালে নিজেদের মাটিতে সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের ঐতিহাসিক পরাজয় এখনও তাড়া করে ফেরে সেলেসাওদের। এরপর ২০১৮ সালে বেলজিয়াম এবং ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে আবারও থেমে যায় তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা।
এবার সেই হতাশার অধ্যায়ের ইতি টানার দায়িত্ব ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তির কাঁধে। ক্লাব ফুটবলে ইউরোপের শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে নকআউট ম্যাচে সফল এই কোচ জাতীয় দলের হয়েও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান।
নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে আনচেলত্তি বলেন, “প্রথম ম্যাচের পর থেকে দল ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করেছে। এখন আমরা অনেক বেশি সংগঠিত এবং আত্মবিশ্বাসী। নকআউট ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রক্ষণে দৃঢ় থাকা।”
ব্রাজিলের সামনে আরেকটি চ্যালেঞ্জও অপেক্ষা করছে। ইতিহাসে নরওয়েই একমাত্র দল, যাদের বিপক্ষে এখনো কোনো জয় পায়নি সেলেসাওরা। ফলে পরিসংখ্যান বদলানোরও সুযোগ থাকছে এই ম্যাচে।
অবশ্য বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে সামগ্রিক পরিসংখ্যানে এগিয়েই আছে ব্রাজিল। ইউরোপের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তারা ১৭টি ম্যাচে জয় পেয়েছে, হেরেছে ৯টিতে এবং ড্র করেছে ৫টিতে। ড্র হওয়া ম্যাচগুলোর মধ্যে দুটি টাইব্রেকারে জিতেছে, আর দুটি হেরেছে।
নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে রবিবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ। কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দীর্ঘ ২৪ বছরের ইউরোপ-খরা কাটানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।


