

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ঘানার বিপক্ষে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে কলম্বিয়া। বলের দখল, আক্রমণ ও সুযোগ তৈরিতে স্পষ্ট আধিপত্য দেখানো দক্ষিণ আমেরিকার দলটি জোন আরিয়াসের একমাত্র গোলে প্রথমার্ধ শেষ করেছে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে।
ম্যাচের শুরুতে প্রথম সুযোগটি পেয়েছিল ঘানা। জেমস রদ্রিগেসের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে দূরপাল্লার শট নেন থমাস পার্টি। তবে বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়।
এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় কলম্বিয়া। তবে অষ্টম মিনিটেই চোটে পড়ে ধাক্কা খায় নেস্তর লরেনসোর দল। ওপোকুর সঙ্গে সংঘর্ষে উরুতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন জন কর্দোবা। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন লুইস সুয়ারেজ।
অন্যদিকে ১০ মিনিটে লুইস দিয়াজকে থামাতে গিয়ে চোট পান ঘানার ডিফেন্ডার মারভিন সেনায়া। কিছুক্ষণ খেলা চালিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত ১৩তম মিনিটে তাকে তুলে আলিদু সাইদুকে নামাতে বাধ্য হন ঘানার কোচ।
১২তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণ ঠেকাতে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন কলম্বিয়ার জোন আরিয়াস।
এর দুই মিনিট পরই আসে ম্যাচের একমাত্র গোল। বাম দিক দিয়ে লুইস সুয়ারেজের দ্বিতীয় ক্রসে লুইস দিয়াজের হালকা হেড বলের দিক বদলে দেয়। দূরের পোস্টে অপেক্ষায় থাকা জোন আরিয়াস প্রথম ছোঁয়াতেই বল জালে পাঠিয়ে কলম্বিয়াকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
গোলের পরও আক্রমণের গতি কমায়নি কলম্বিয়া। লুইস দিয়াজ, জেমস রদ্রিগেস ও জোহান মোহিকার সমন্বিত আক্রমণে একের পর এক চাপে পড়ে ঘানার রক্ষণভাগ। তবে গোলরক্ষক আতি জিগি দুর্দান্ত কয়েকটি সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন।
প্রথম ২০ মিনিটে বলের দখলে ছিল কলম্বিয়ার ৭৭ শতাংশের বেশি। বিপরীতে ঘানা মূলত রক্ষণ সামলে পাল্টা আক্রমণের অপেক্ষায় থাকলেও শেষ তৃতীয়াংশে কার্যকর আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি।
হাইড্রেশন বিরতির পর কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করে ঘানা। তবে তাদের প্রচেষ্টা খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি। অন্যদিকে কলম্বিয়া একের পর এক সুযোগ তৈরি করতে থাকে।
৩৯তম মিনিটে জেমস রদ্রিগেসের দারুণ পাস থেকে কাছ থেকে শট নেন লুইস দিয়াজ। কিন্তু বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুবর্ণ সুযোগ পায় কলম্বিয়া। ড্যানিয়েল মুনিয়োজের নিখুঁত ক্রস থেকে জোহান মোহিকার হেড অসাধারণ দক্ষতায় এক হাতে ফিরিয়ে দেন ঘানার গোলরক্ষক আতি জিগি। তার দুর্দান্ত সেভেই বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া এড়ায় আফ্রিকার দলটি।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ১-০ ব্যবধানের স্বস্তিদায়ক লিড নিয়েই বিরতিতে যায় কলম্বিয়া। আর গোলরক্ষক আতি জিগির অনবদ্য পারফরম্যান্সে দ্বিতীয়ার্ধের আশা বাঁচিয়ে রাখে ঘানা।


