

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে স্কটল্যান্ড। আর টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ার পরপরই জাতীয় দলের প্রধান কোচের পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্টিভ ক্লার্ক।
নকআউট পর্বে ওঠার জন্য গ্রুপের শেষ ম্যাচে ব্রাজিলকে হারানো ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না স্কটিশদের। তবে শক্তিশালী ব্রাজিলের কাছে ৩-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয় তাদের। এই হারের পরই সাত বছরের দায়িত্বের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন ক্লার্ক।
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ২০৩০ সাল পর্যন্ত স্কটল্যান্ডের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছিলেন তিনি। কিন্তু টুর্নামেন্টে প্রত্যাশিত ফল না আসায় দায়িত্ব ছাড়ার পথ বেছে নেন। গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের পাশাপাশি মরক্কোর কাছেও হারে স্কটল্যান্ড। একমাত্র জয়টি আসে হাইতির বিপক্ষে। তবে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দল হিসেবেও শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিতে পারেনি তারা।
২০১৯ সালে স্কটল্যান্ডের দায়িত্ব নেওয়া ক্লার্কের অধীনেই দলটি টানা তিনটি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। তার কোচিংয়েই ২০২১ ও ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে জায়গা করে নেয় স্কটল্যান্ড। পাশাপাশি ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফেরে দলটি। এ কারণেই দেশটির অন্যতম সফল কোচ হিসেবে বিবেচিত হন তিনি।
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে সমর্থকদের উদ্দেশে এক আবেগঘন বার্তায় ক্লার্ক বলেন, ‘বিদায়ের সবচেয়ে কঠিন অংশটি আমার খেলোয়াড়দের ছেড়ে যাওয়া। তাদের ছাড়া ২০১৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত যে স্মৃতিগুলো তৈরি হয়েছে, তার কোনোটিই সম্ভব হতো না। তাদের কোচ হতে পারা আমার জন্য ছিল বিরাট সম্মানের।’
স্টিভ ক্লার্কের অবদানের প্রশংসা করেছেন স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী ইয়ান ম্যাক্সওয়েল। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হওয়ায় আমরা হতাশ। তবে ক্লার্কের সাত বছরের দায়িত্বে স্কটল্যান্ড যে অগ্রগতি করেছে, সেটিও মনে রাখতে হবে। তিনি শুধু দলকে বড় টুর্নামেন্টে ফিরিয়েই আনেননি, প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সাফল্য এনে দিয়েছেন।’
ম্যাক্সওয়েল আরও বলেন, ‘স্টিভের রেকর্ডগড়া অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের হতাশা কেটে গেলে সমর্থকরাও স্কটল্যান্ডকে আবার বিশ্বমঞ্চে ফিরিয়ে আনার জন্য তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবেন।’

