

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-এর ম্যাচে দর্শকদের দারুণ এক গোলবন্যার উপহার দিয়েছে মরক্কো ও হাইতি।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধেই চার গোল হয়েছে, যেখানে দুই দল ২-২ সমতায় থেকে বিরতিতে গেছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে উভয় দল। ১০ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় হাইতি। ডান প্রান্ত থেকে আসা আক্রমণে জোসেফের ফ্লিক করা বল সামাল দিতে গিয়ে ভুল করেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন হউনউ। তার অসাবধানতায় বল জড়িয়ে যায় নিজেদের জালে, আর তাতেই লিড পায় হাইতি।
এই গোলটি হাইতির জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭৪ সালের পর বিশ্বকাপের মঞ্চে এটিই ছিল দেশটির প্রথম গোলের উপলক্ষ, যদিও সেটি এসেছে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী ভুলে।
গোল হজমের পর মরক্কো আক্রমণের গতি বাড়ায়। একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও সমতা ফেরাতে তাদের অপেক্ষা করতে হয় ৩৯ মিনিট পর্যন্ত। ডিফ্লেক্টেড একটি বল হাইতির গোলরক্ষক প্লাসিদ ঠেকালেও সেটি নিরাপদে সরাতে পারেননি। সুযোগ বুঝে সামনে ছুটে আসেন অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি এবং কাছ থেকে বল জালে পাঠিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান।
তবে মরক্কোর আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মাত্র চার মিনিট পর আবারও এগিয়ে যায় হাইতি। ডান প্রান্তে বল পেয়ে উইলসন ইসিডর চমৎকার দক্ষতায় নিজের জন্য জায়গা তৈরি করেন এবং দুর্দান্ত এক শটে বল জালে পাঠিয়ে স্কোরলাইন ২-১ করেন।
মনে হচ্ছিল, এই ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যাবে হাইতি। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে আবারও জবাব দেয় মরক্কো। অধিনায়ক হাকিমির নিখুঁত নিচু ক্রস থেকে ইসমাইল সাইবারি দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন। তার গোলে আবারও সমতায় ফেরে আফ্রিকার দলটি।
প্রথমার্ধে চার গোলের এই নাটকীয় লড়াইয়ে কোনো দলই কাউকে ছাড় দেয়নি। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়া হাইতি শেষ ম্যাচেও লড়াকু মনোভাব দেখিয়েছে। অন্যদিকে নকআউট পর্বের পথে থাকা মরক্কোও নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে।
