

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের সামর্থ্যের নতুন প্রমাণ দিয়েছে বাংলাদেশ। এবার সেই সাফল্যকে দেশের বাইরের আরও কঠিন সিরিজে কাজে লাগাতে চান প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। তার লক্ষ্য, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো কন্ডিশনেও বাংলাদেশ যে ভালো টেস্ট দল, সেটি প্রমাণ করা।
রেভস্পোর্টজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিমন্স বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সক্ষমতা দেখানো। এখন দেশের বাইরে নিয়মিত ভালো ক্রিকেট খেলাই দলের বড় লক্ষ্য। বিশেষ করে পেস ও বাউন্সের কারণে যেসব দেশে বাংলাদেশের ব্যাটিং-বোলিং নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, সেখানেই নিজেদের প্রমাণ করতে চান ক্রিকেটাররা।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের আগে আলাদা কোনো অনুপ্রেরণার প্রয়োজন হয়নি বলেও জানান সিমন্স। তার মতে, অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে টেস্ট খেলার সুযোগই ক্রিকেটারদের জন্য যথেষ্ট প্রেরণার ছিল। দলের সবাই চেয়েছিল নিজেদের এমনভাবে মেলে ধরতে, যাতে বোঝা যায় বাংলাদেশও মানসম্পন্ন টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারে।
এই সিরিজে ক্রিকেটারদের মানসিক প্রস্তুতির ওপরও জোর দিয়েছিলেন সিমন্স। বিশেষ করে ম্যাচের বিভিন্ন পর্যায়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, সকালে দ্রুত কয়েকটি উইকেট পাওয়ার পর দল যেন অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী না হয়ে যায়, আবার উইকেট না পেলেও যেন হতাশায় ভেঙে না পড়ে—এটাই ছিল পরিকল্পনার অংশ।
বিরতির পর একই মানসিকতা নিয়ে মাঠে ফেরার ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। সিমন্সের মতে, ভালো মুহূর্তে অতিরিক্ত উচ্ছ্বসিত হওয়া কিংবা খারাপ সময়ে খুব বেশি হতাশ হয়ে পড়া—দুটিই দলের পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ ডারউইনে সম্ভবত ক্যারিয়ারের সেরা ম্যাচটাই খেলেছেন বলে মনে করেন তিনি ‘(মিরাজ) দুর্দান্ত ছিল। অলরাউন্ডার হিসেবে তার মর্যাদা দিন দিন আরও বাড়ছে। ৫০ ওভারের ওয়ানডে ফরম্যাটে আমার মনে হয় সে (অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে) দুই নম্বরে আছে। টেস্টেও সে ক্রমেই ওপরে উঠছে। দ্বিতীয় ইনিংসে আমরা তার বিশ্বমানের অফস্পিন বোলিং দেখেছি। স্টিভ স্মিথও যেমন বলেছে, তৃতীয় দিনেও উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো ছিল। তারপরও স্টিভের মতো ব্যাটারকে বিভ্রান্ত করার যে ক্ষমতা সে দেখিয়েছে, তাতে বোঝা যায় তার অফস্পিনের মান ক্রমেই উন্নত হচ্ছে।’


