

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মসজিদের ভেতর চলছে প্রবীণ ব্যবসায়ী ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রহমানের (৯৫) জানাজা নামাজ। বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ইন্দ্রজিত, সুজিত, মধুসূদন ও বিপ্লব কুমার সাহা।
কারো চোখ অশ্রুসিক্ত, আবার কারো চেহারায় শোকের ছাপ। প্রিয় মানুষকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছিলেন তারা। এমনই দৃশ্য দেখা গেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌর এলাকার কলামহলা দরগাহ জামে মসজিদে।
মৃত আব্দুর রহমান কটিয়াদী পৌর এলাকার পূর্বপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। তিনি একজন প্রবীণ ব্যবসায়ী ও সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। এছাড়া আব্দুর রহমান দীর্ঘদিন স্থানীয় দরগাহ জামে মসজিদের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
পরদিন (মঙ্গলবার) দুপুরে জোহরের নামাজের পর তার জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে মসজিদের পাশের সামাজিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।
আব্দুর রহমানের জানাজায় হাজারো মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন পৌর এলাকার বাসিন্দা শিক্ষক ইন্দ্রজিত কুমার সাহা, সুজিত কুমার সাহা, মধুসূদন সাহা ও পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর বিপ্লব কুমার সাহা।
শিক্ষক ইন্দ্রজিত কুমার সাহা বলেন, মরহুম আব্দুর রহমান এলাকার প্রবীণ ব্যবসায়ী ছিলেন। আমার প্রয়াত বাবার সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক ছিল। তার মৃত্যুর সংবাদ অন্যদের মতো আমাদেরও শোকাহত করেছে। এ জন্য শেষ বিদায়ের শ্রদ্ধা জানাতে আমরা উপস্থিত হয়েছি।’
শিক্ষক সুজিত কুমার সাহা বলেন, আব্দুর রহমান খুবই বিনয়ী মানুষ ছিলেন। আমাদের পরিবারের সঙ্গে অনেক আগে থেকেই তার গভীর সম্পর্ক ছিল। তার শেষ বিদায়ের সময় উপস্থিত হলাম। আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।
সাবেক স্থানীয় পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিপ্লব কুমার সাহা বলেন, এলাকার প্রতিটি মৃত্যু আমাকে শোকাহত করে। আমি সবসময়ই চেষ্টা করি কেউ মারা গেলে উপস্থিত হতে। ধর্ম কারো সম্পর্ক আলাদা করে না। মরহুম খুবই সাদা মনের মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যু অন্যদের মতো আমাকেও শোকাহত করেছে।


