

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান।
বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) টুর্নামেন্ট বর্জনের কথা ভাবলেও এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।
এই জটিল পরিস্থিতির মধ্যেই পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী সোমবার পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
টেলিকম এশিয়া স্পোর্টস-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তান বর্তমানে এক কৌশলী অবস্থান নিয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডস ও ১০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ পর্যন্ত তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে।
যদি পাকিস্তান এই দুটি ম্যাচেই জয় পায়, তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচটি বয়কট করার সম্ভাবনা প্রবল।
একটি সূত্রের দাবি, প্রথম দুই ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলে ভারতের বিপক্ষে না খেলার ঝুঁকি নিতে পারে পিসিবি।
পুরোপুরি বিশ্বকাপ বয়কট বা ভারতের বিপক্ষে না খেলার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আইসিসি ও সম্প্রচারস্বত্ব নিয়ে জটিলতা।
পিসিবির আইন উপদেষ্টারা বোর্ডকে সতর্ক করেছেন যে, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেললে বড় ধরনের আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে। ২০২৭ সাল পর্যন্ত সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান ‘জিওস্টার স্পোর্টস’-এর সঙ্গে আইসিসির প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি রয়েছে।
পাকিস্তান কোনো ম্যাচ বয়কট করলে সম্প্রচারকারীরা ক্ষতির মুখে পড়বে এবং এর দায়ভার আইসিসি পিসিবির ওপর চাপাতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের বার্ষিক তহবিলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশকে বাদ দেয়ার ঘটনায় আইসিসির প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে অসন্তোষ জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে পিসিবি।
টুর্নামেন্ট বর্জন না করলেও বিশ্বকাপ চলাকালে প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের বিষয়ে আইসিসিকে চিঠি দিয়ে অবহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে বোর্ডটির।
মন্তব্য করুন

