বৃহস্পতিবার
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘হাদির ঘাতক দেশেই আছে, তারা হাসপাতাল পর্যন্ত চলে এসেছিল’

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৩১ এএম আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৪ এএম
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্য গুলি করা হয়
expand

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্য গুলি করার ঘটনার সাথে জড়িত শ‍্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং তার সহযোগী মোটরবাইক চালক আলমগীর হোসেন সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে বলে দাবি করেছেন কেউ কেউ।

এ দাবির সঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন ইনকিলাব মঞ্চ ও ডাকসুর নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমা।

তার দাবি, আসামিরা দেশেই আছে। তাদেরকে পার করে দেওয়ার জন্য নাটক করা হচ্ছে।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি এ দাবি জানান।

ফেসবুকে তিনি লেখেন, আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পেয়েছি, অপরাধী এখনো দেশেই আছে। এইসব নাটক প্রোপাগাণ্ডা তৈরি করে অপরাধীদের পার করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না, সাবধান!

তিনি আরও বলেন, জাহান্নামে থাকলে জাহান্নাম থেকে এনে আমাদের সামনে দাঁড় করাতে হবে।

এর আগে, গতকাল (রবিবার) তিনি লিখেছিলেন, যে আসামি অলরেডি একবার গ্রেপ্তার হয়েছে তার সকল তথ্য সংস্থাগুলোর কাছে আছে। তবুও তাকে চিহ্নিত করতে পারছেনা, আটকাতে পারছেনা এইটা আমাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, আমাদের বিশ্বাস আসামি পালায়নি, পালিয়ে গিয়েছে বলে হতাশা তৈরি করে দায়মুক্তি নিতে চাইছে, অথবা পালাতে সহযোগিতা করার একটা প্লান এটা।

এই প্লান একজন করেনি, একজন এক্সিকিউট করেনি। এই পুরো সিন্ডিকেট এখনো এক্টিভ এবং খুনিদের সহযোগিরা হাসপাতালে এসেছিল বলেও আমাদের কাছে তথ্য এসেছে।

ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক জুমা আরও বলেন, পুরো সিন্ডিকেটকে আমরা জীবিত গ্রেপ্তার দেখতে চাই।

ওসমান ভাইয়ের নিরাপত্তাসহ সকলের নিরাপত্তা জোরদার করেন। অনেক কষ্ট করে ধৈর্য্য ধরে আছি আমরা। কিন্তু সেটা বেশিক্ষণ পারবো না।

হাদিকে হত্যার চেষ্টা করেছে যারা, সেই তাদের সহযোগীরা হাসপাতাল পর্যন্ত চলে এসেছিল।

এমনটাই দাবি করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের কর্মী ও ডাকসু সদস্য ফাতিমা তাসনিম জুমা।

তিনি সম্প্রতি একটি ফেসবুক পোস্টে এমন দাবি করেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank