

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অপবিত্রতা থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য বাধ্যতামূলক যে গোসল করতে হয় সেটিই ফরজ গোসল। তিন অবস্থায় এ গোসল ফরজ হয়। এ অবস্থায় গোসল না করলে অপবিত্র থাকতে হয়।
এনপিবির পাঠকদের জন্য ৩ প্রকার ফরজ গোসলের বিবরণ তুলে ধরা হলো-
১. উত্তেজনার সঙ্গে বীর্যপাত হলে। সেটা চাই ঘুমের মধ্যে হোক বা জাগ্রত অবস্থায় হোক। তবে ঘুম থেকে জেগে লুঙ্গি-পাজামা বা পেন্টে বীর্য-আর্দ্রতা দেখতে পেলেও গোসল ফরজ হবে। এ ক্ষেত্রে উত্তেজনা শর্ত। কেননা, অনেক সময় ঘুমে স্বপ্নদোষ হলে টের পাওয়া যায় না।
২. সহবাস করলে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের উপর গোসল ফরজ। এক্ষেত্রে লক্ষণীয়, স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের ক্ষেত্রে স্ত্রীর গোপনাঙ্গে পুরুষাঙ্গ সর্বনিম্ন সুপারি পরিমাণ অংশ প্রবেশ করালেই উভয়ের ওপর গোসল ফরজ হয়ে যাবে। তাতে বীর্যপাত হোক আর না হোক; উভয়কে গোসল করতে হবে। (বুখারি ও মুসলিম)
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে তার সঙ্গে সঙ্গত হলে (সহবাস করলে), তার উপর গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। (বুখারি)
৩. হায়েজ তথা মাসিক ঋতুস্রাব থেকে পবিত্র হলে নারীদের উপর গোসল ফরজ।
৪. নেফাস তথা প্রসবের পর রক্তস্রাব থেকে পবিত্র হলে নারীদের উপর গোসল করা ফরজ।
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে, নারী-পুরুষের যৌনমিলন, স্বপ্নদোষ বা যে কোনো উপায়ে বীর্যপাতের মাধ্যমে কিংবা হাফেজ-নেফাসের কারণে অপবিত্র হলে তাকে পবিত্রতা হওয়ার নির্দেশ দেন এভাবে- ‘আর যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও।’ (সুরা: মায়েদা, আয়াত : ৬)