

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফিদইয়ার টাকা একসাথেও দেওয়া যায়, আবার চাইলে প্রতিদিন হিসাব করেও দেওয়া যায়—দুটোই শরিয়তসম্মত ও জায়েজ।
শরিয়তের দৃষ্টিতে ফিদইয়া দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো গরিব-মিসকিনকে নির্ধারিত খাদ্য বা তার মূল্য পৌঁছে দেওয়া। সময়ের ব্যাপারে নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই যে প্রতিদিনই দিতে হবে।
আরও পড়ুনঃ অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে না পারলে ফিদইয়া কত টাকা দিতে হয়?
একসাথে দেওয়া
রমজান শেষ হওয়ার পর সব দিনের ফিদইয়ার টাকা একসাথে একজন বা একাধিক গরিবকে দেওয়া জায়েজ।
অনেক মানুষ সুবিধার জন্য পুরো মাসের ফিদইয়া একবারেই দিয়ে দেয়—এটি সহিহ।
প্রতিদিন দেওয়া
চাইলে প্রতিদিন এক দিনের ফিদইয়া আলাদা আলাদা করেও দেওয়া যাবে। এটিও সুন্নাহর পরিপন্থী নয়।
আরও পড়ুনঃ মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা কি অন্য কেউ রেখে দিতে পারবে?
কখন দেওয়া উত্তম
রমজান চলাকালীন বা শেষে দেওয়া যায়। ঈদের নামাজের আগে দেওয়া উত্তম, যেন গরিব মানুষ ঈদের প্রয়োজন মেটাতে পারে।
কাকে দেওয়া যাবে
ফিদইয়া শুধু গরিব ও মিসকিনকে দেওয়া যাবে। যাদের জাকাত দেওয়া যায়, তাদেরই ফিদইয়া দেওয়া যাবে। মসজিদ, মাদ্রাসা নির্মাণে ফিদইয়ার টাকা দেওয়া যাবে না।
আরও পড়ুনঃ গত বছরের কাজা রোজা আদায় না করে নতুন রোজা রাখা যাবে কি?
সারসংক্ষেপ
ফিদইয়ার টাকা একসাথে দিলেও জায়েজ। প্রতিদিন দিলেও জায়েজ।
একসাথে দেওয়া বেশি সহজ ও সুবিধাজনক। গরিব-মিসকিনকে দেওয়া শর্ত।
মন্তব্য করুন

