

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র থাইল্যান্ডের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে যুক্ত হয়েছে কঠোর নতুন শর্ত। এখন থেকে থাই ভিসার আবেদনকারীদের অতিরিক্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি জমা দিতে হবে। নথিপত্রের ঘাটতি থাকলে আবেদন সরাসরি বাতিল করা হবে। আগামী ৩১ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হতে যাচ্ছে।
গত বুধবার (২৬ আগস্ট) ঢাকাস্থ থাইল্যান্ড দূতাবাস তাদের অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সতর্কবার্তা ও নির্দেশনার কথা নিশ্চিত করেছে।
প্রথমত, আবেদনকারী বর্তমানে যে দেশে অবস্থান করে ভিসার জন্য আবেদন করছেন, সেই দেশে তার স্থায়ী বসবাসের সঠিক ও সরকার-স্বীকৃত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি নিজ দেশ বা স্থায়ী বসবাসের দেশ থেকে ইস্যুকৃত হালনাগাদ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দিতে হবে। এটি মূল ভাষার পাশাপাশি অবশ্যই ইংরেজিতে অনুবাদ করা থাকতে হবে।
বিশেষ করে দূরবর্তী চাকরিজীবী (রিমোট ওয়ার্কার) ও দীর্ঘমেয়াদি অবস্থানকারীদের মধ্যে জনপ্রিয় 'ডেস্টিনেশন থাইল্যান্ড ভিসা' (ডিটিভি) আবেদনকারীদের জন্য এই নিয়মটি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের পরিচয়, নিরাপত্তা এবং অপরাধসংক্রান্ত তথ্য যাচাইপ্রক্রিয়া জোরদার করতেই থাই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে পদ্ধতিগত ও প্রযুক্তিগত হালনাগাদের (সিস্টেম আপডেট) জন্য আগামী রোববার (৩০ আগস্ট) থাই ই-ভিসা আবেদন ও ফি পরিশোধের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। ওই দিন নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তবে ৩১ আগস্ট থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর করার মাধ্যমে পোর্টালটি পুনরায় সচল হবে।
দূতাবাস থেকে আবেদনকারীদের ই-ভিসা পোর্টাল থেকে প্রয়োজনীয় সব নথির তালিকা ভালোভাবে যাচাই করে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। থাই কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়েছে, নতুন বিধান কার্যকর হওয়ার পর নির্ধারিত অতিরিক্ত নথি ছাড়া যে কোনো অসম্পূর্ণ আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে এবং তা বিবেচনা করা হবে না।
মূলত পর্যটন, মুক্তপেশা বা রিমোট জব এবং দীর্ঘমেয়াদি অবস্থানের ক্ষেত্রে ‘ডিটিভি’ ভিসা সম্প্রতি বিদেশি পর্যটক ও পেশাদারদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়, নিরাপত্তা এবং অপরাধসংক্রান্ত তথ্য যাচাইপ্রক্রিয়া আরও জোরদার ও স্বচ্ছ করতেই থাই সরকার এই অতিরিক্ত নীতি গ্রহণ করেছে।


