

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তীর বরাতে এ তথ্য জানা যায়। তিনি বলেন, সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে।
গত ২২ আগস্ট রাতে মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬০), তার স্ত্রী প্রীতিলতা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আগামী চক্রবর্তী স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিলেন। আর প্রীয়ম ছিল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ঘটনার পর নিহত গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুরের কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের দিন ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) নামের দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ওই রাতেই তাদের আদালতে হাজির করা হলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তারা। পুলিশ জানিয়েছে, জবানবন্দিতে তারা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
এ ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে এখন সিদ্ধার্থের পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তার বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


