

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাতীয় পরিবর্তন ফ্রন্ট (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “জুলাই সনদ” বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তি ছাড়া কেউ ‘সেফ এক্সিট’ পাবে না।
তাঁর ভাষায়, এই সনদ কার্যকর করাই বর্তমান সরকারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হওয়া উচিত।
১৪ অক্টোবর, সোমবার রাত ৮টায় শেরপুর শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, যারা বিদ্যমান ব্যবস্থার সংস্কারে আন্তরিক, যারা অভ্যুত্থান নয় বরং বিচারপ্রক্রিয়া চালু রেখে দেশের কাঠামোগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে চান—আমরা তাদের সঙ্গে নির্বাচনী ঐক্য গড়তে পারি। তবে সেটা স্পষ্ট করে বলি, এনসিপি কখনোই অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতীক বা ব্যানারে নির্বাচন করবে না। আমরা শাপলা প্রতীকেই নির্বাচন করব।
শাপলা প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ, কোনো আইনগত বাধা নেই বলেই দাবি
শাপলা প্রতীক না পেলে এনসিপির করণীয় কী হবে—এমন প্রশ্নে সারজিস আলম জানান, আমরা আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। তাঁরা কেউই বলেননি যে, শাপলা প্রতীক ব্যবহারে কোনো আইনগত বাধা আছে।
সুতরাং আমরা আশাবাদী যে, নির্বাচন কমিশনের মতো স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি অন্যায় আচরণ করবে না। আমরা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে শাপলা প্রতীকেই অংশ নেব।
উপদেষ্টাদের মধ্যে কেউ কেউ নাকি নিরাপদ প্রস্থানের (সেফ এক্সিট) পথ খুঁজছেন’—এমন আলোচনা প্রসঙ্গে সারজিস আলম সরাসরি কিছু বলেননি।
তবে বলেন, এই বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার দায়িত্ব নাহিদ ইসলামের। উপদেষ্টাদের কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে এক্সিট নিতে চান, সেটা নাহিদ ইসলামকেই পরিষ্কার করে বলতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনের আগে শেরপুর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে একটি অভ্যন্তরীণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন শেরপুর জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক মো. লিখন মিয়া। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকিন আলম এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলার নেতাকর্মীরা।
সভায় আসন্ন রাজনৈতিক কার্যক্রম, নির্বাচনী প্রস্তুতি এবং জুলাই সনদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে দলের ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
মন্তব্য করুন
