

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’-পরবর্তী কর্মসূচির সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনার পর পুলিশের নিরাপত্তায় সাভার ছাড়লেন এনসিপি নেতারা।
সোমবার (৬ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার সরকারি কলেজ মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৯টার দিকে সমাবেশস্থলের মঞ্চে উঠেন এনসিপির নেতারা। এ সময় বিদ্যুৎ চলে যায়। এর মধ্যে দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ অন্য নেতারা বক্তব্য দেন। প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হয়। এ সময় মঞ্চে দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রাত সাড়ে ৯টার দিকে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পরই সেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যা সমাবেশস্থলে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শাহীন খান্দকার (৩০), জসিম (২৬) ও শাহাদাত হোসেন (৪০)। তাঁদের মধ্যে শাহীন এনাম মেডিকেল কলেজের কর্মী, জসিম একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং শাহাদাত হোসেন সাভারের মুক্তির মোড় এলাকার বাসিন্দা। তাঁরা সবাই সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
ঘটনার পর বক্তব্যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম হামলাকে ‘ন্যক্কারজনক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাঁদের হত্যার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে। তবে এ ধরনের হামলায় তাঁরা ভীত নন এবং জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
ঘটনার কিছুক্ষণ পর নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এনসিপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সাভার থানার সামনে যান। এ সময় থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম ও আখতার হোসেন থানার ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে তাঁরা পুলিশ পাহারায় সেখান থেকে বেরিয়ে আহতদের দেখতে হাসপাতালের দিকে যান।
