

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ষড়যন্ত্র করে ১১ দলীয়ে জোটকে হারানো হয়েছে। আর এই ষড়যন্ত্রের অংশ অন্তর্বর্তী সরকারও— এমন দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি মাল্টিপারপাস হলে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আমাদের বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ দাবি করেন।
অন্তর্বর্তী সরকার ও বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন সরকার সবকিছুই জনগণের জন্য। অন্তর্বর্তী সরকার বিএনপির সঙ্গে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। আমরা নির্বাচনের পর আন্দোলন করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইনি। নির্বাচন মেনে নিলেও আমরা গণভোটের রায় নিয়ে বিন্দুমাত্র ছাড় দেব না।’
তিনি বলেন, নির্বাচনের রায়কে মেনে নিলেও গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করতে দেব না। নতুন বা পুরোনো, কোনও ফ্যাসিবাদ মেনে নেওয়া হবে না। জনগণের অধিকারের প্রশ্নে কোনো ছাড় নেই।
কেউ শালীনতা ভেঙে জুলাইকে অসম্মান করার দুঃসাহস দেখালে তা সহ্য করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন জামায়াত আমির।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর এই জাতি কষ্টে ছিল। অসংখ্য মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছে। এই দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে, জেলে থাকতে হয়েছে। আগে যারা মজলুম ছিল এখন অনেকে জালিম হওয়ার পথে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে অনেক নাটকের পর নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনের পর বলা হল নির্বাচনের জন্য তারা অনেক কিছু মেনে নিয়েছিল। জনগণকে তারা মূর্খ বলতে চাচ্ছে। তারা বলে জনগণ না বুঝেই গণভোটে রায় দিয়েছে। ১৭ বছর তারাও মজলুম ছিল। কিন্তু অনেকেই জেলে যায়নি, তারা শহীদ পরিবারের হাহাকার বুঝবে না।
এ সময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, দেশে আর রক্তপাত না চাইলে সরকারের উচিত গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা।