

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সব ধর্ম ও মতের মানুষ যাতে নিজ নিজ জায়গা থেকে কথা বলতে পারেন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে একটি বিরল বিষয় হলো এ দেশের অধিকাংশ মানুষই ধার্মিক। এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মপ্রাণ মানুষের দেশ। প্রত্যেক ধর্মের মানুষ যদি নিজ নিজ ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ ও তা ধারণ করতে পারেন, তাহলে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও বাড়বে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ তুলে ধরে শামীম কায়সার বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন, বাংলাদেশে একটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থাকা দরকার। আর বেগম খালেদা জিয়া ধর্মীয় মূল্যবোধকে অনেক বেশি সম্মান করতেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণেই বিএনপি বড় রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে এবং মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে।
তাকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়ে একটি সংগঠনের দেওয়া বিবৃতি নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একটি নির্বাচনে একটি দলকে শতভাগ মানুষ ভোট দেয় না। পছন্দ-অপছন্দ থাকতেই পারে। কোনো একটি নিয়োগকে শতভাগ মানুষ পছন্দ করবে বিষয়টি এমন নয়।’
তিনি বলেন, অনেক সময় কোনো বিষয় সরাসরি পরিষ্কারভাবে বলা সম্ভব না হলে বা খণ্ডিত কোনো তথ্য গেলে সেটি অন্যভাবে ব্যাখ্যা হতে পারে। যোগাযোগ ও কথাবার্তা যত বাড়বে, কোথাও কোনো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে তা নিরসন হয়ে যাবে।
এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি গতকালও জামিয়া মাদানিয়া বারিধারায় গিয়েছি। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের অনেক শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে কথা বলেছি। গতকাল আমি যাদের সঙ্গে বসেছি, তাদের কিছু প্রশ্ন ছিল। আমার বিশ্বাস, আমি তাদের সন্তুষ্ট করতে পেরেছি এবং তারা আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন।’
শামীম কায়সার বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন মতের প্রথিতযশা ওলামায়ে কেরামের সহাবস্থান এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে। শুধু ইসলাম ধর্মের নেতৃবৃন্দই নন, অন্যান্য ধর্মের নেতা ও ধর্মীয় গুরুদের কাছেও তিনি যাবেন। এভাবে টুকটাক যে বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝি আছে, সেগুলো দূর হয়ে যাবে।
এ সময় ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ এনডিসি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহিল বাকী, হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আয়াতুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।


