

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সাম্প্রতিক বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাতে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে ঘিরে চলা সমালোচনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে দাবি করেন।
রাশেদ খান বলেন, বিভিন্ন টকশোতে মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করে সমালোচনা করা হচ্ছে। তার দাবি, এর মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি মীর শাহে আলম নিজেই এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর তুলনায় বয়সে ছোট এবং কখনো একই সময়ে স্কুল-কলেজে পড়েননি। রাজনৈতিক সূত্রেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
উন্নয়ন বরাদ্দ প্রসঙ্গেও রাশেদ খান দাবি করেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ তালিকায় গোপালগঞ্জ সপ্তম এবং বগুড়া ১৬তম অবস্থানে থাকলেও, মীর শাহে আলম সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বগুড়ায় নিয়েছেন—এমন প্রচার চালানো হয়েছে। তার ভাষ্য, এ ধরনের তথ্য বিভ্রান্তিকর এবং পরিকল্পিতভাবে প্রতিমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, দায়িত্বে থাকার কারণে একজন মন্ত্রীর সমালোচনা হওয়া স্বাভাবিক হলেও, সমালোচনা ও মিথ্যাচার এক বিষয় নয়। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মীর শাহে আলম বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন নিয়ে সমন্বয় সভা করেছেন এবং অতীতেও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বয় করেছেন। তবে এসব উদ্যোগের স্বীকৃতি না দিয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ছাড়া, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না—মীর শাহে আলমের এমন বক্তব্যের পর থেকেই আওয়ামী লীগ ও বিরোধী পক্ষের একটি অংশ তার বিরুদ্ধে একযোগে সক্রিয় হয়েছে বলেও পোস্টে দাবি করেন রাশেদ খান।
