

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্যাংক লুটেরাদের যেখানেই থাকুক না কেন, দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের কাছ থেকে আমানতকারীদের অর্থ আদায় করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪-এর সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু। তিনি বলেছেন, তাদের ‘ডিম থেরাপি’ দিয়ে হলেও গ্রাহকদের টাকা উদ্ধার করতে হবে।
বুধবার (০৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রেহানা আক্তার রানু বলেন, ‘ব্যাংক লুটেরাদের কোনো ক্ষমা নেই। তারা পৃথিবীর যেখানেই থাকুক, ধরে এনে ডিম থেরাপি দিয়ে এই টাকা আদায় করতে হবে।’
তিনি বলেন, এক নারী তাকে ফোন করে জানিয়েছেন, তিনি স্বপ্নে অর্থমন্ত্রীকে দেখেছেন এবং স্বপ্নে অর্থমন্ত্রী তার আমানতের টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমার সেই বোনের স্বপ্ন কি পূরণ হবে? এই স্বপ্ন কি সত্যি হবে?’
তিনি আরও বলেন, গত ৪ জুলাই অর্থমন্ত্রীর চট্টগ্রামের বাসভবনের সামনে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা মানববন্ধন করেছেন। ৭৫ লাখ গ্রাহকের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যাংক ডাকাতদের অপরাধের খেসারত কেন আমানতকারীরা দেবেন? তাদের অপরাধ কী?’
এর জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এটি একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা। তবে আমানতকারীদের টাকা সুদসহ ফেরত দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেহেতু সুদসহ টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলছি, তাই “হেয়ার কাট” হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। তবে ব্যাংকগুলো বর্তমানে লোকসানে থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগবে।’
তিনি আরও জানান, আমানত সুরক্ষা আইনের আওতায় সুরক্ষার পরিমাণ এক লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক লুটেরাদের শনাক্ত করতে বিশেষ ফরেনসিক অডিট পরিচালনা করা হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক রেজুলেশন আইনের ৫৭ ধারার আওতায় দায়ী ব্যক্তিদের দেশি-বিদেশি সম্পদ ও তহবিল নিলাম বা বিক্রির মাধ্যমে আমানতকারীদের অর্থ উদ্ধার করা হবে।
