শুক্রবার
২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘদিন পর স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গভবন ছিল প্রকৃত উৎসবমুখর

শেখ ফরিদ উদ্দিন
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৭ পিএম
বঙ্গভবন
expand
বঙ্গভবন

দীর্ঘদিন পর আজকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবন ছিল প্রকৃত উৎসবমুখর। এমনটাই বললেন উপস্থিত অতিথিদের অনেকে। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী ফাস্ট লেডী ড. রেবেকা সুলতানা বঙ্গভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে রাষ্ট্রপতি ও ফাস্ট লেডী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বিকাল ৪ ঘটিকায় রাষ্ট্রপতি ও ফাস্ট লেডী অনুষ্ঠান স্থলে এসে উপস্থিত হন। এ সময় জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় তদ্রুপ তাঁদের প্রস্থানেও জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়।

এছাড়া দুপুর ১টা থেকে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ বঙ্গভবনে আসতে শুরু করেন। অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মুক্তি যোদ্ধা মন্ত্রী, আজম জে চৌধুরী, এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি, সড়ক যোগাযোগ ও রেলমন্ত্রী রবিউল হক, প্রবাসী কল্যান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী ওসমান ফারুক এমপি, এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রধান বিচারপতি সহ হাইকোর্টের বেশ কয়েকজন বিচারপতি, এটর্নি জেনারেল, তিন বাহিনীর প্রধান, আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের চিফ প্রসিকিউটর এড. আমিনুল ইসলাম, সামরিক, বেসামরিক উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ ,বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের কুটনৈতিক প্রতিনিধি, সরকারের সচিব, বিভিন্ন পেশাজীবি, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী সহ নানাহ শ্রেনী পেশার মানুষের ছিল সরব উপস্থিতি।

উল্লেখ্য যে, আমন্ত্রিত অতিথিগণ প্রায় সকলকেই তাদের সহধর্মিণীদের নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন এই রাষ্টীয় অনাড়াম্বর অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানে আগত অতিথীদের জন্য ছিল পর্যাপ্ত বিভিন্ন মুখরোচক খাবার। অন্য দিকে অনুষ্ঠান শুরু থেকেই একঝাক শিশুশিল্পী এবং বিভিন্ন সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষিত বিরাট একটা সাংস্কৃতিক দল দেশাত্মবোধক সঙ্গীত পরিবেশনে এবং সুরের মূর্ছনায় আগত অতিথিগনকে সার্বক্ষনিক দিয়েছেন চমৎকার বিনোদন। বিকাল চার ঘটিকায় রাষ্ট্রপতি ও ফাস্টলেডী অনুষ্ঠান স্থলে আসেন এবং অতিথিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে ছয়টায় প্রস্থান করেন।

উপস্থিত অতিথির মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট রফিক শিকদার বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর এবারের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন অনাড়াম্বর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সকলের স্বতঃফুর্ত অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এমন একটি পরিবেশে রাষ্ট্রীয় সকল অনুষ্ঠান উদযাপিত হউক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্র পতি প্রফেসর ড. ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে সর্বশেষ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছিল আনন্দময় পরিবেশে। তারপর এক এগারোর অবৈধ ফখরুদ্দিন, মঈনুদ্দিনের শাসন দেশের গনতন্ত্র নস্যাত করে দেশকে বহুবছর পিছিয়ে নিয়েছিল। জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিগত ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশে আজ গনতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা পেয়েছে বিধায় আজকের এই আনন্দ। এ গনতন্ত্র রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। এবারের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসটি দীর্ঘদিন পর অত্যান্ত উৎসবমুখর, আনন্দময় ও সৌহার্দ্য পূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বলে উপস্থিত অনেকেই মন্তব্য করেন।

লেখক: শেখ ফরিদ উদ্দিন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন