

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ক্রিকেট ও ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও নেপালের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় ঢাকা ও কাঠমান্ডু। এ লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সময়মতো সহযোগিতা করায় বাংলাদেশ সরকার ও দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।
দুই দেশের বিদ্যমান সুদৃঢ় রাজনৈতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে চমৎকার রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও ক্রীড়ার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।’
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে আবারও দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট সিরিজ আয়োজনের প্রস্তাব দেন নেপালের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে কোনো দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়নি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বিশেষ করে সাম্প্রতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত আমাদের জনগণের জন্য অনুপ্রেরণা প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশকে একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের অনুরোধ করছি। আমাদের দল বাংলাদেশ সফরে যেতে পুরোপুরি প্রস্তুত। একইভাবে বাংলাদেশ দলকে নেপালে স্বাগত জানাতেও আমরা প্রস্তুত।’
নেপালের এ প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে ক্রীড়া কূটনীতিকে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা ক্রীড়া কূটনীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং বিভিন্ন খেলায় সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে কাজ করছি।’
এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চিঠি দেওয়ার জন্য নেপালের রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন প্রতিমন্ত্রী। চিঠি পাওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে, নেপালের ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন আমিনুল হক। বিশেষ করে পর্বতারোহণসহ সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া ক্ষেত্রে বাংলাদেশি অ্যাথলেটদের সহযোগিতা ও সুযোগ দেওয়ার জন্য নেপালকে আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর পাশাপাশি ক্রিকেটের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

