

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে। বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, নগর উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রামীণ উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব।
দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করা গেলে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। নগর উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের চলমান সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহের কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায় থেকে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ‘বটম-আপ গভর্ন্যান্স’-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়াতে চায় সরকার। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থবছর পরিবর্তন করে যুক্তরাজ্যের অর্থবছরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। এর ফলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

