

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় দুই আসামিকে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে আটক করা হয়। তারা দুইজনই ঘটনার দিন নিজেদের বাসায় ছিলেন না।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরেরংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (গোয়েন্দা বিভাগ) উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী ঢাকা পোস্টকে এসব কথা জানিয়েছেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তার দাবি, আসামি সিদ্ধার্থ দাসের শরীরে আঁচড়ের চিহ্ন ছিল। ঘটনার পর তিনি একটি ক্লিনিকে গিয়ে চিকিৎসা নেন। এ তথ্যটি প্রথমে স্থানীয় একজনের কাছে জানতে পারে পুলিশ। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে আটক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সিদ্ধার্থকে তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে আটকের পরে একটু অদূরে মুগ্ধর বাড়িতে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। এ সময় পুলিশ এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ধাওয়া করে তাকে পার্শ্ববর্তী তুতফার্ম এলাকা থেকে আটক করে।
সনাতন চক্রবর্তী বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের দুইজনই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এখন বাইরে থেকে অনেকে অনেকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। পুলিশের কাছে ছোট ছোট কিছু বিষয় হাইড করলেও আদালতে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন দুই আসামি। তারা আমাদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যা বলেছিলেন, সেই তথ্যটাই প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিশনার স্যার তুলে ধরেছিলেন। এতে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই।


