

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ। মাসটিতে উন্নয়ন বরাদ্দের বিপরীতে এক টাকাও খরচ করতে পারেনি ১০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ।
সোমবার (২৪ আগস্ট) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) প্রকাশিত এডিপি বাস্তবায়নের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে উন্নয়ন বরাদ্দ থেকে হিসাবে খাতা খুলতে না পারা মন্ত্রণালয় বা বিভাগগুলো হলো– শিল্প; বাণিজ্য; ধর্ম; পররাষ্ট্র; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন; পাবর্ত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়; স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ; স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ; সেতু বিভাগ; অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। এসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ খরচ করতে পারেনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই শেষে সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে মাত্র ২ হাজার ১২১ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা। সে হিসাবে টাকা খরচ হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ। শতাংশের হিসাবে যা গত অর্থবছরের সমান। এর আগের ২০২৪-২৫ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাসে অবশ্য ১ শতাংশের বেশি ব্যয় হয়েছিল।
সম্প্রতি সরকার অর্থবছরের সময়-কাল বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জুলাই–জুন সময়ের পরিবর্তে এপ্রিল–মার্চ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৮–২৯ অর্থবছর থেকে নতুন সময়-কাল ধরেই সবকিছু হবে। অর্থবছরের সময়-কাল পরিবর্তনের অন্যতম কারণ হলো- অর্থবছরের শুরুতে বর্ষাকাল হওয়ায় প্রকল্পের কাজ ঠিকমতো হয় না। বৃষ্টির কারণে অর্থবছরের শুরুতে উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা খরচ করা সম্ভব হয় না। তাই উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা যাতে আরও কার্যকরভাবে খরচ করা যায়, সে জন্য অর্থবছরের সময়-কাল পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত হয়।
এছাড়া বরাদ্দের বিপরীতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এর মধ্যেই সংস্থাটি মোট বরাদ্দের প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ অর্থ ব্যয় করেছে। প্রায় ৭ শতাংশ ব্যয় করেছে সংসদ বিষয়ক সচিবালয়। সাড়ে ৫ শতাংশ অর্থ ব্যয় করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বরাদ্দের ৫ শতাংশ ব্যয় করেছি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সাড়ে ৪ শতাংশ অর্থ ব্যয় করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।


