সোমবার
০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
expand
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, সরকার একা নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিক সচেতন হলে আবর্জনামুক্ত ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

সোমবার (৩ আগস্ট) বেলা ১১টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় দেশবাসীর উদ্দেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে বলেন, তিনি এমন একটি বিষয় নিয়ে কথা বলতে চান, যা সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্পর্শ করে। আর সেটি হলো দেশের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা।

তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকা শহর থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা এমনকি অনেক গ্রামাঞ্চলেও রাস্তার পাশে, বাজারে, পুকুরপাড়ে ও জনসমাগমস্থলে যত্রতত্র প্লাস্টিকের বোতল, টিস্যু, চিপসের প্যাকেটসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অথচ কয়েক দশক আগেও এমন দৃশ্য এতটা প্রকট ছিল না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ নিজের ঘরের চারপাশে আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে পছন্দ করেন না। তাহলে দেশের চারপাশও কেন অপরিচ্ছন্ন থাকবে। তিনি সবাইকে নিজেদের পরিবেশকে নিজের বাড়ির মতো করে দেখার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, রাস্তাঘাটে জমে থাকা আবর্জনার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে, সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ এবং পরিবেশ দূষণ। তাই ব্যবহৃত প্লাস্টিক, টিস্যু বা অন্যান্য বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পুকুরপাড়, পার্ক ও জনসমাগমস্থল আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। এসব স্থান একসময় মানুষ অবসর কাটানোর জন্য ব্যবহার করলেও বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতার অভাবে সেই পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, পার্ক বা বিনোদনকেন্দ্রে গিয়ে খাবারের মোড়ক বা অন্যান্য বর্জ্য ফেলে রেখে আসার পরিবর্তে প্রত্যেকে যদি নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে পরবর্তী দর্শনার্থীরাও একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামান্য সচেতন হন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল আচরণ করেন, তাহলে ধীরে ধীরে দেশকে আবর্জনামুক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, “দেশটা তো আমাদের সকলের। আমরা সকলে মিলে যদি চেষ্টা করি, তাহলে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

বক্তব্যের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী আবারও দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি সুস্থ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি এ কাজে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন