

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নাই। যারা আছেন তারা ঋণগ্রস্ত হতে পারেন, তবে ঋণখেলাপি নন।’
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের পয়েন্ট অব অর্ডারে দেওয়া এক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইন অনুযায়ী, যেমন রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডারসহ অন্যান্য বিধিমালায়, যদি কেউ আদালত কর্তৃক ঋণখেলাপি হিসেবে সাব্যস্ত বা ঘোষিত হন, তবে তিনি অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন। এমপি পদে মনোনয়ন দিতে পারেন না। সেটি স্পষ্ট বিধান।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হয়ে সংসদে আসার অর্থ হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হয় ঋণগ্রস্ত হতে পারেন, কিন্তু ঋণখেলাপি নন। এখন কেউ যদি দাবি করেন যে এই সংসদে ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তা কোনোভাবেই আইনগত ব্যাখ্যার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাদের কারও বিরুদ্ধে ব্যাংক বা অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মামলা থাকলেও, সেগুলো হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। আদালত থেকে নিষ্পত্তির পর এবং বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর তিনি আর ঋণখেলাপি থাকেন না এবং তারা নির্বাচিত হয়ে সংসদে এসেছেন। সুতরাং এটিকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলা সঠিক নয় এবং এটি মানহানিকর বক্তব্য। আমি মনে করি, এটি এক্সপাঞ্জ করা উচিত।
অন্যদিকে, নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদে নির্বাচনের আগেও ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, ঋণ খেলাপিদের নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের পরেও আমি আমার প্রথম অধিবেশনের বক্তব্যে এইখানে অনেক সংসদ সদস্য তাদের কত কত ঋণ খেলাপি রয়েছে সেই সংখ্যা আমি উল্লেখ করেছি, তাদের সম্মানার্থে নাম প্রকাশ করিনি।
তিনি আরও বলেন, এখন যদি সংসদে এতগুলা ঋণ খেলাপি থাকে, তাহলে এই সংসদকে তো ঋণ খেলাপিদের সংসদ বলবে, বা সরকার দলীয় লোকেরা যারা মেজরিটি, টু-থার্ড মেজরিটি করেছে তারা ঋণ খেলাপিদের সংসদে নিয়ে এসেছে, এটা সাধারণ মানুষ এটা স্বাভাবিকভাবেই বলবে।
