মঙ্গলবার
২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরও ২৬২ শিক্ষকের জাল সনদ চিহ্নিত

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৬ পিএম
ফাইল ছবি
expand
ফাইল ছবি

মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত আরও ২৬২ জন শিক্ষকের সনদ জাল বা ভুয়া বলে শনাক্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। এসব শিক্ষকের কাছ থেকে বেতন-ভাতা হিসেবে নেওয়া ২ কোটি ৭১ লাখ টাকার বেশি অর্থ আদায় এবং তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

ডিআইএ সূত্রে জানা গেছে, এ সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন ও তালিকা গতকাল সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন সংস্থাটির পরিচালক এম এম সহিদুল ইসলাম। ডিআইএর প্রধান কাজ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর বা সংস্থা পরিদর্শন এবং নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা। পরিদর্শন শেষে প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা তুলে ধরার পাশাপাশি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এর ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, নতুন শনাক্ত হওয়া ২৬২ জনের মধ্যে ২৫১ জনের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল। বাকি ১১ জনের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, বিপিএড, বিএড, গ্রন্থাগার বা অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ভুয়া বা জাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এসব শিক্ষক বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের কাছ থেকে ২ কোটি ৭১ লাখ ৭০ হাজার ৫০৯ টাকা গ্রহণ করেছেন। এসব শিক্ষকের বেশিরভাগই এমপিওভুক্ত।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল দেশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ৪৭১ জন শিক্ষকের সনদ জাল বলে শনাক্ত করা হয়। তাঁরা সবাই বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত ১৫ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ৪৭১ জনের জাল সনদের মধ্যে ১৯৪ জনের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল ছিল। এ ছাড়া ২২৯ জনের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ ও ৪৮ জনের বিপিএড, বিএড, গ্রন্থাগার বা অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ভুয়া বা জাল। এর আগে অবশ্য জাল সনদ ধরা পড়ায় ৬৭৮ জন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত, বেতন-ভাতার সরকারি অংশের অর্থ ফেরত নেওয়া এবং ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ডিআইএর পরিচালক এম এম সহিদুল ইসলাম বলেন, তদন্তে যেসব শিক্ষকের জাল সনদ ধরা পড়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন