

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও। জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে মহানগর এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুনভাবে ক্লাস পরিচালনার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ও সরাসরি উপস্থিতির সমন্বয়ে (ব্লেন্ডেড) ক্লাস চালুর কথা ভাবা হচ্ছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা বা মন্ত্রিসভার বৈঠকের মাধ্যমে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। আজকের বৈঠকেই প্রস্তাবটি উত্থাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, সপ্তাহে ছয় দিনের ক্লাসের মধ্যে তিন দিন অনলাইনে এবং বাকি তিন দিন সরাসরি ক্লাস নেওয়া হতে পারে। একদিন অনলাইন হলে পরদিন সশরীর ক্লাস—এভাবে পালাক্রমে পাঠদান চলবে। অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রেও শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানেই উপস্থিত থেকে পাঠদান করবেন। তবে ব্যবহারিক বা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস সরাসরিই নেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, সশরীর ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন কার্যক্রম চালুর বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
উল্লেখ্য, করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালের মার্চে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর বিকল্প হিসেবে অনলাইন ও টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান চালু করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, এ পদ্ধতির কার্যকারিতা সীমিত ছিল।
মন্তব্য করুন
