

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আইসিইউর পূর্ণরূপ ‘ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিট’। কোনো রোগীর যখন একাধিক অঙ্গের জন্য সাপোর্ট প্রয়োজন হয়, সে অবস্থার জন্য আইসিইউ।
দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে কী পরিমাণ আইসিইউ বেড ও এ সংক্রান্ত জরুরি সেবা রয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে ন্যাশনাল ইলেকট্রো মেডিকেল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার।
সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান টেকনিক্যাল ম্যানেজার জয়ন্ত কুমার মুখোপাধ্যায় বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, সারা দেশের সরকারি হাসপাতালে মাত্র এক হাজার ৬২০টি আইসিইউ বেড রয়েছে। যদিও বেসরকারি হাসপাতালে এ সংখ্যা ঠিক কত, সে তথ্য দিতে পারেননি তিনি।
তবে, চিকিৎসা সংক্রান্ত গবেষণা জার্নাল বাংলাদেশ ক্রিটিক্যাল কেয়ার জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ সেবা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে। ২০২২ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউ বেডের সংখ্যা ২৮৫৬টি।
২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণার কথা উল্লেখ করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য মাত্র শূন্য দশমিক সাতটি ক্রিটিক্যাল কেয়ার বা আইসিইউ বেড ছিল।
এ সংখ্যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশ কম বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
তবে, আইসিইউ বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কোভিড মহামারির পর হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ বেডের সংখ্যা কিছুটা বেড়ে এখন প্রায় তিন হাজারের কাছাকাছি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আহসান বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে, এ মুহূর্তেও যদি বিদ্যমান আইসিইউর সংখ্যা দ্বিগুণ করি, তাও আমাদের প্রয়োজন মিটবে না।’
পৃথিবীর কোনো দেশেই পর্যাপ্ত আইসিইউ থাকে না বলে দাবি করে এ কর্মকর্তা আরও বলেছেন, ‘এটা কিন্তু গ্লোবাল ইস্যু। পৃথিবীর কোনো দেশেই পর্যাপ্ত আইসিইউ থাকে না। কোভিডের সময় ইউরোপে যারা মারা গেছে, তারা আইসিইউর অভাবেই মারা গেছে। ইভেন আমেরিকায় যারা মারা গেল তাদের বড় অংশও আইসিইউর অভাবে মারা গেছে।’
মন্তব্য করুন
