

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাজামুখী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’-তে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম।
তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, খারাপ আবহাওয়া ও সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বহর গাজার দিকে এগিয়ে চলেছে এবং তাদের লক্ষ্য অবরোধ ভাঙা, তাদের বহরের অগ্রভাগে থাকা কয়েটি জাহাজ গাজায় পৌঁছে।
শহিদুলের পোস্ট অনুযায়ী, তিনি বর্তমানে ফ্লোটিলার সবচেয়ে বড় জাহাজ ‘কনসিয়েন্স ফ্লোটিলা’–র ওপরে ডেকে অবস্থান করছেন।
গত রাত্রির ঝড়ের সময় জাহাজটি অপেক্ষাকৃত দ্রুতগতিতে এগিয়ে গেছে যাতে ঝড়ের কেন্দ্র থেকে দূরে থাকা যায়।
তিনি বলেন, বহরের সামনের নৌযানগুলো ইতোমধ্যে ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়েছে—তবু প্রত্যেকেই ভয়কে মান্য করছেন না এবং তারা অগ্রসর থাকবেন বলে জানান।
প্রাথমিকভাবে জাহাজে পর্যাপ্ত ব্যক্তিগত বা বিশ্রামের জায়গা না থাকায় শহিদুল প্রথম রাত খোলা ডেকে কাটিয়েছেন। পরে ঝড়ের কারণে তাকে নৌযানের এক ছোট কোণে রাত কাটাতে হয়েছে। তিনি এই কঠোর মুহূর্তের বর্ণনা দেবার পাশাপাশি বলছেন যে সমগ্র বহরটি একে–অপরের প্রতি সংহতি ও মনোবল ধরে রেখেছে।
শহিদুল উল্লেখ করেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমর্থনমূলক বার্তা ও প্রার্থনা মেলছে, যা সবাইকে শক্তি দিচ্ছে। গণমাধ্যমে আগ্রহী যারা কনটেন্ট বা আপডেট চান, তাদের জন্য তিনি নির্দিষ্ট যোগাযোগ কেন্দ্রের কথা বলেছেন (নির্দিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করার নির্দেশ দিয়েছেন)।
শহিদুল আলম ইসরায়েলের জাহাজ আটকানো ও হামলা করার ঘটনাগুলোকে ‘আন্তর্জাতিক নৌসীমায় জবরদস্তি’–রূপে অভিহিত করেছেন। তবু তিনি জোর দিয়েছেন—“আমরা অবরোধ ভেঙে গাজায় পৌঁছাবো; বিশ্বজুড়ে যে সহানুভূতি দেখানো হচ্ছে, তা আমাদের অচিন্ত্যযোগ্য সাহস দিচ্ছে।”
মন্তব্য করুন
