রবিবার
১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:১১ পিএম
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
expand
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার করতে দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, সমাজে নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় অনুভূতির গুরুত্ব ক্রমেই কমে যাচ্ছে এবং এর ফলে নানা ধরনের অনৈতিকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় শিক্ষা জোরদার করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরুর পর প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব তথ্য জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক ক্ষেত্রে অবলুপ্ত হয়ে গেছে এবং আমাদের সমাজে দিন দিন অন্যায় বেড়েই যাচ্ছে।

এ কারণে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে ইতিমধ্যেই ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি বলেন, কওমি শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট সংক্রান্ত একটি বিষয় রয়েছে। সেই ক্ষেত্রে তারা কিরাত শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হন। অপরদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় কিরাত বিষয়টি আলাদা সাবজেক্ট হিসেবে নেই। ফলে এ বিষয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমরা আশা করছি, অতি শিগগিরই সার্টিফিকেট সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমাধান করে যারা কিরাতে উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের মধ্য থেকে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক অর্থাৎ ইসলামী শিক্ষকের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে বলে আমরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় শিক্ষা বলতে শুধু ইসলামিক শিক্ষা নয়; সব ধর্মের অনুভূতিকেই প্রাধান্য দিয়ে আমরা কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। সেদিন অধিবেশনের প্রারম্ভে ভাষণ দেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এরপর প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি মনোনীত করা হয়। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এবং ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শপথ গ্রহণ করেন।

ওইদিন দুপুর ১২টার পর জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

নতুন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) শোকপ্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রেওয়াজ অনুযায়ী ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন