

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রান্নার লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংকটযেন কাটছেই না। সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি পাওয়া তো দূরের কথা, অনেক ক্ষেত্রে প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ভোক্তারা। চলতি জানুয়ারি মাসেও এই সংকট কাটার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া না হলে আগামী মাসের শুরুতেও এলপিজি সরবরাহ নিয়ে চাপে পড়তে পারে সরকার। জানুয়ারি মাসে দেশে এলপিজির মোট চাহিদা ১ লাখ ৫০ হাজার টনের বেশি হলেও এখন পর্যন্ত নিশ্চিত আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ লাখ ২০ হাজার টনে। ফলে ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাসের।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, চাহিদার বাকি এলপিজি আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ীরা। এজন্য তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করছে সরকার।
এলপিজি অপারেটরস অব বাংলাদেশের সভাপতি আমিরুল হক বলেছেন, রান্নার গ্যাসের সংকট কবে কাটবে তা বলা কঠিন। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে সবাই আমদানির চেষ্টা করছেন।
কিন্তু জাহাজ ভাড়াসহ বিভিন্ন সমস্যা আছে। সংকট কাটাতে সরকার সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ফিলিপাইনের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু সেখান থেকে এলপিজি আমদানি কিছুটা সময় সাপেক্ষ।
জ্বালানি সচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারিভাবে ১ লাখ টনের এলপিজি আনার চেষ্টা হবে। কিন্তু সেই এলপিজি আসতে মার্চে লেগে যেতে পারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সবকিছু মিলিয়ে এলপিজির সংকট থেকে বের হওয়া কঠিন।
মন্তব্য করুন

