

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও আলোচিত ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শুরু হয় হট্টগোল।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন ভবনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আফরোজা খানমের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি চলাকালে এই ঘটনা ঘটে।
এ সময় দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবীদের ব্যাখ্যা চান ইসি। তারা ব্যাখ্যাও দেন। এক পর্যায়ে আপিল শুনানি দুপুরে আধা ঘণ্টার জন্য বিরতি দেয় কমিশন।
সিইসির নেতৃত্বে পুরো কমিশন আসন ত্যাগ করার পরপর মঞ্চের সামনে আপিলের পক্ষে-বিপক্ষের আইনজীবীরা জড়ো হতে থাকেন। এ সময় তারা বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। এই জটলার মাঝে উপস্থিত থাকা ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু সেখানে উপস্থিত বিরোধীদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে মিন্টুর মনোনয়নপত্র বাতিলের শুনানি ছিল এদিন।
এ সময় অন্য এক আপিলের শুনানির জন্য অডিটোরিয়ামে উপস্থিত কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী এবং জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির যোদ্ধা হাসনাত আব্দুল্লাহ উত্তেজিত হয়ে পড়েন।
তিনি আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ক্ষোভ প্রকাশ নিয়ে আপত্তি তোলেন। এতে দুই পক্ষের বাদানুবাদে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে আইনজীবীরা সরিয়ে নিলে তার ছেলে তাবিথ আউয়াল হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিরতির পর শুনানি শুরু হলে হাসনাত আব্দুল্লাহ কমিশনের কাছে অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন।... ব্লাডি সিটিজেন, বলে গালিগালাজ করেন এবং বল প্রয়োগেরও চেষ্টা করেন। এ সময় এনসিপির এই নেতা ইসির কাছে রুলিং দাবি করেন।
একই সময় অপর এক আইনজীবী শেরপুরের একটি আসনের বিএনপির প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর সমর্থকরা শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) শুনানি শেষে নির্বাচন ভবনের সামনে তার ক্লায়েন্টকে মারধরের অভিযোগ আনেন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি। এটাকে আমরা অনাকাঙ্ক্ষিত বলি। আশা করছি, কেউ আর এ ধরনের ঘটনা ঘটাবেন না।
এ সময় তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য নির্বাচনি তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেন।
মন্তব্য করুন

