

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ডুমুর মিষ্টি স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ একটি ফল। এতে রয়েছে ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ নানা পুষ্টি উপাদান। কাঁচা কিংবা শুকনা—দুইভাবেই ডুমুর খাওয়া যায়। পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত ডুমুর খেলে শরীরের বিভিন্ন দিকের উপকার হতে পারে।
ডুমুরে থাকা খাদ্যআঁশ হজমশক্তি ভালো রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করতে পারে। নিয়মিত পেটের সমস্যা থাকলে খাদ্যতালিকায় পরিমিত ডুমুর রাখা যেতে পারে।
ডুমুরে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।
ডুমুরে প্রাকৃতিক চিনি থাকলেও এতে পর্যাপ্ত ফাইবার রয়েছে। তাই পরিমিত পরিমাণে কাঁচা ডুমুর খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়ার প্রবণতা কিছুটা কম হতে পারে। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শুকনা ডুমুর খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে পরিমাণের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন।
ডুমুরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
ডুমুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। এতে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজও সামগ্রিক ত্বকস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
ডুমুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে সমর্থন করে। শুকনা ডুমুরে কিছু খনিজ উপাদান তুলনামূলক বেশি থাকে।
ডুমুরের ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করতে পারে। ফলে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে। তবে শুকনা ডুমুরে প্রাকৃতিক চিনি ও ক্যালরি বেশি থাকায় ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পরিমাণ মেনে খাওয়া জরুরি।
ডুমুর কোনো রোগের চিকিৎসা বা ওষুধের বিকল্প নয়। প্রতিদিন একটি ডুমুর খেলেই নির্দিষ্ট রোগ সেরে যাবে—এমন দাবির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। সুষম খাদ্যতালিকার অংশ হিসেবে পরিমিত ডুমুর খাওয়াই ভালো।


