

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সারা বিশ্বে ত্বকের সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলোর একটি হলো ব্রণ। আর মজার বিষয় হলো, গুরুত্বপূর্ণ কোনো দিন- হোক তা প্রেজেন্টেশন, চাকরির সাক্ষাৎকার কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে দেখা করার মুহূর্ত, এসে গেলেই যেন হঠাৎ মুখে ব্রণের আবির্ভাব ঘটে।
এতে শুধু ত্বকের সৌন্দর্যই নয়, আত্মবিশ্বাসও কমে যেতে পারে। তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। সঠিক যত্ন এবং কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করলে অনেক ক্ষেত্রে এক রাতেই ব্রণের লালভাব ও ফোলাভাব কমিয়ে ত্বককে স্বাভাবিক দেখানো সম্ভব।
বরফের জাদু:
‘জেদি’ ব্রণকে শান্ত করতে বরফের কিউবই যথেষ্ট। দিনে চার–পাঁচবার একটু পর পর ব্রণের ওপর বরফের কিউব মালিশ করুন। একটি পরিষ্কার পাতলা সুতি কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে ব্রণের ওপর ১-২ মিনিট ধরে রাখুন।
এটি ব্রণের রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে ফোলাভাব ও লালচে ভাব দ্রুত কমিয়ে দেয়। তাই ২৪ ঘণ্টায় ব্রণ অনেকটাই ছোট হয়ে আসবে।
টি ট্রি অয়েল ব্যবহার:
টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস করে। এটি সরাসরি ত্বকে না লাগিয়ে ১ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল ২ ফোঁটা পানির সাথে মিশিয়ে ব্রণের ওপর লাগাতে হবে। তবে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এটা নয়।
অ্যাসপিরিন পেস্টের অনন্য ব্যবহার:
ব্যথা, জ্বর বা প্রদাহ কমাতে অনেকের ওষুধের বাক্সে অ্যাসপিরিন পাওয়া যাবে। এই ট্যাবলেটে স্যালিসাইলিক এসিড থাকে। ১টি অ্যাসপিরিন গুঁড়ো করে সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্রণের ওপর ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখলে ফোলা ও ব্যথা কমে যায়। এতে ব্রণের ওপরের তেল বা মরা চামড়া উঠে আসবে।
হাইড্রোকলয়েড প্যাঁচ ক্ষমতা:
ব্রণের ওপর লাগানোর মতো এক ধরনের ছোট স্টিকার পাওয়া যায় । ছোট একটা হাইড্রোকলয়েড প্যাঁচ ব্যবহারে ব্রণের ভেতরের তরল বের হয়ে আসে। হাত দিয়ে খুটে ভেতরের ‘পদার্থ’ বের করলে দীর্ঘস্থায়ী দাগ পড়ার আশঙ্কা থাকে।
এটি রাতে ব্রণের ওপর লাগিয়ে ঘুমালে ত্বকের ভেতরের ময়লা ও পুঁজ টেনে বের করে ফেলে এবং ব্রণকে বাইরের ব্যাকটেরিয়া থেকে সুরক্ষিত রাখে।
অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার:
তাজা অ্যালোভেরা জেল ব্রণের লালভাব এবং ত্বকের জ্বালাপোড়া খুব দ্রুত কমিয়ে আনে। এটি ব্রণের ওপর লাগিয়ে সারারাত রেখে দেওয়া যায়।
বেনজয়েল পারক্সাইড:
৫% বেনজয়েল পারক্সাইড স্পট ট্রিটমেন্ট হিসেবে ব্রণের ওপর ব্যবহার করলে এটি গভীরের ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে এবং পোরস (ছিদ্র) পরিষ্কার করে।
মাইল্ড ক্লিনজারে সুরক্ষিত ত্বক:
মাইল্ড ধরনের ক্লিনজার ব্যবহার করুন। কেমিক্যালযুক্ত ক্লিনজার ব্রনের উপর অনেকক্ষেত্রে আলাদা ইরিটেশন বা জ্বালাপোড়া শুরু করতে একটা স্বস্তিদায়ক স্ক্র্যাবার দিয়ে হালকা ঘষে মুখ পরিষ্কার করতে হবে।
এটিই আপনার ত্বকের ময়লা, মরা কোষ দূর করে, ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে ব্রণ দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করবে।
মধু ও দারুচিনি মিশ্রণ:
দারুচিনির অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং মধুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য খুব দ্রুত ব্রণ শুকিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো ও মধুর মিশ্রণ ব্রণের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
