

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভালোবাসার সম্পর্কের বুনন যেমন সুন্দর, তেমনই তা অত্যন্ত সংবেদনশীল। আমরা অনেকেই ভাবি, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে কেবল ‘কী কী করা উচিত’ বা ‘কী বলা ভালো’- সেটার ওপর জোর দিলেই চলবে।
কিন্তু মনোবিজ্ঞান এবং সুস্থ সম্পর্কের সমীকরণ বলে, সম্পর্ককে ভাঙনের হাত থেকে বাঁচাতে হলে ‘কী পরিহার করা উচিত’ তা জানা বেশি জরুরি।
বৈবাহিক সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়িত্ব ও সুসম্পর্ক নিশ্চিত করতে এই বিষয়গুলো বিস্তারিত জেনে রাখা প্রয়োজন :
১। ‘তোমাকে বিয়ে করে ভুল করেছি’
যখন আপনি রাগের মাথায় বলেন, ‘তোমাকে বিয়ে করাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল’, তখন আপনি কেবল একটি বাক্য বলছেন না, বরং আপনি আপনার সঙ্গীর মনে একটি গভীর ‘অনিরাপত্তা’ তৈরি করছেন। সুস্থ সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো এই বিশ্বাস যে- ‘ঝগড়া হলেও আমরা একসাথেই আছি।’
কিন্তু এই একটি কথা সেই ভিত্তির ওপর কুঠারাঘাত করে। এর ফলে সঙ্গী নিজেকে আপনার জীবনে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ভাবতে শুরু করে, যা পরবর্তীতে যেকোনো খোলামেলা আলোচনার পথ বন্ধ করে দেয়।
২। আর্থিক অবস্থা বা উপার্জন নিয়ে খোঁটা
আর্থিক অবস্থা বা পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে খোঁচা দেওয়া মানে সম্পর্কের সমান্তরাল অবস্থানটিকে নষ্ট করা। সম্পর্ক হলো দুটি মানুষের সমঅধিকারের জায়গা। যখনই একজনের আর্থিক সীমাবদ্ধতা বা অতীতকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন সেখানে ‘ভালোবাসা’র চেয়ে ‘ক্ষমতার লড়াই’ বড় হয়ে ওঠে।
এটি সঙ্গীর আত্মবিশ্বাসকে এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেয় যে, সে আপনার সামনে নিজের মতামত প্রকাশ করতেই ভয় পেতে শুরু করে।
৩। পরিবার বা বন্ধুদের অপমান
প্রত্যেকেরই নিজের পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি আলাদা দুর্বলতা ও আবেগ থাকে। সঙ্গীর কাছের মানুষদের নিয়ে কটূক্তি করলে তা পরোক্ষভাবে সঙ্গীকেও অপমান করার শামিল হয়, যা সম্পর্কের অবনতি ঘটায়
৪। দুর্বলতা নিয়ে উপহাস
অন্যের সামনে সঙ্গীর ব্যক্তিগত দুর্বলতা প্রকাশ করা বা তা নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করা উচিত নয়। এতে সঙ্গীর মনে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয় এবং আপনার ওপর থেকে তার বিশ্বাসের জায়গা নড়বড়ে হয়ে যেতে পারে
