

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাইরের মানুষের সঙ্গে সৌজন্যপূর্ণ আচরণ করা যতটা সহজ, ঘরের মানুষকে খুশি রাখা অনেক সময় ততটাই কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ পরিবারই আমাদের নিরাপদ আশ্রয়, যেখানে মানসিক শান্তি ও ভালোবাসার পরিবেশ থাকা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
প্রিয়জনকে আনন্দিত রাখার জন্য বড় কোনো উদ্যোগের দরকার হয় না। বরং ছোট ছোট আচরণগত পরিবর্তনই সম্পর্ককে আরও মধুর করে তুলতে পারে।
কারও মনে ভালো লাগার অনুভূতি জাগাতে প্রথমেই তাকে বোঝাতে হয়—সে আপনার কাছে কতটা মূল্যবান। আন্তরিক মনোযোগ ও যত্নের প্রকাশ মানুষকে স্বস্তি দেয়।
ভালো সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি হলো মন দিয়ে শোনা। অনেক সময় মানুষ পরামর্শ নয়, বরং একজন শ্রোতা খোঁজে। নির্দিষ্ট সময় বের করে মোবাইল বা টিভি দূরে রেখে একে অপরের সঙ্গে কথা বললে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও দৃঢ় হয়।
পরিবারের সদস্যদের দৈনন্দিন ছোট অবদানও স্বীকৃতির দাবিদার। একটি ধন্যবাদ বা প্রশংসার বাক্য তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং সম্পর্কের উষ্ণতা ধরে রাখে।
সহানুভূতি ও সহমর্মিতা যেকোনো সম্পর্ককে শক্ত ভিত দেয়। সাহায্য চাইবার আগেই পাশে দাঁড়ানো, ভুলকে ক্ষমা করার মানসিকতা রাখা এবং ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলানো মানসিক চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেয়।
নিজের ভালো লাগা ও আনন্দের মুহূর্ত অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিলে পরিবেশও ইতিবাচক হয়ে ওঠে। হাসিমুখে বলা ছোট কোনো গল্প বা স্মৃতিও সবার মন ভালো করে দিতে পারে।
প্রিয়জনকে খুশি করতে সব সময় দামি উপহার প্রয়োজন হয় না। পছন্দের খাবার, হঠাৎ লেখা একটি নোট কিংবা ব্যস্ত সময়ের মাঝেও একসঙ্গে খাওয়া বা কোথাও বের হওয়া সম্পর্ককে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে।
সবশেষে বলা যায়, আপনজনের অনুভূতি ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে আন্তরিকভাবে পাশে থাকলেই পরিবারে সুখ ও প্রশান্তি বজায় রাখা সম্ভব।
মন্তব্য করুন

