

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সুপারভাইজার সাজু লস্কার ও হেলপার মাহবুব আলম মনির আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার পৃথক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। একই মামলায় গ্রেপ্তার বাসচালক সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
এদিন তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে সাজু লস্কার ও মাহবুব আলম মনি নিজেদের ইচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানান। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বনানী থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম তালুকদার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন।
আদালতের আদেশে সাজু ও মনির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদিকে বাসচালক সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হলেও শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোরে জামালপুর থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে বাসে ওঠেন ইসমাইল হোসেন। গ্রামের জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা এবং বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তার সঙ্গে ছিল। ইসমাইলের গাজীপুরে পৌঁছানোর কথা থাকায় তার ছেলে হাসান জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু বাবার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর তিনি বাড়িতে ফিরে যান।
পরে দুপুরের দিকে বনানী থানা থেকে খবর পেয়ে ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পারেন তার পরিবার। মরদেহের ছবি দেখে ইসমাইলকে শনাক্ত করেন ছেলে হাসান।
পুলিশ জানায়, বনানী থানার আওতাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী থেকে কুড়িলমুখী অংশে ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি স্থান থেকে ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার সঙ্গে থাকা পাঁচ লাখ টাকা ও অন্যান্য মালামাল পাওয়া যায়নি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, ইসমাইলের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার নাক, মাথা ও ডান হাতের কব্জি সাদা স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
ঘটনার পর নিহতের ছেলে মো. হাসান বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।


