

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভাগনিকে যৌন হয়রানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এস্তে মেডিকেল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ ফয়সালের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের এসআই বেগম রেহেনা আখতার গত ২৭ জুলাই আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরেই ফয়সালকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে পুলিশের এ চূড়ান্ত প্রতিবেদনের সঙ্গে একমত নয় মামলার বাদীপক্ষ। তাদের দাবি, তদন্ত সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়নি। এ কারণে তারা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করবেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, অভিযোগিত ঘটনার প্রায় ১০ মাস পর চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার পর ৬ মে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন পান মোহাম্মদ ফয়সাল। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে ৩০ জুন তিনি নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে পাঁচ দিন কারাভোগের পর তিনি শর্তসাপেক্ষে জামিন লাভ করেন। আদালত তদন্তে সহযোগিতা, জামিনের অপব্যবহার না করা এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশে না যাওয়াসহ কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছিলেন।
এদিকে গত সোমবার ঢাকার মহানগর হাকিম রৌনক জাহান তাকি পুলিশের দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের জন্য নথিভুক্ত করেন এবং পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য মামলাটি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এ পাঠানোর নির্দেশ দেন।
একই দিনে আদালত মোহাম্মদ ফয়সালের পাসপোর্ট ফেরত, বিদেশ ভ্রমণের অনুমতি এবং স্থায়ী জামিনের আবেদনও মঞ্জুর করেন।