

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি গড়ার স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে লালন করে আসছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। তবে এবার তিনি কৌশলগতভাবে দৃষ্টি ঘুরিয়েছেন চাঁদের দিকে। তার ভাষ্য, চাঁদে স্বনির্ভর বা স্ব-বর্ধনশীল শহর গড়ে তোলা মঙ্গলের তুলনায় দ্রুত সম্ভব এবং তা ১০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।
নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মাস্ক জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স বর্তমানে মঙ্গল অভিযানের চেয়ে চাঁদে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণকে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
মাস্ক যুক্তি দেন, পৃথিবী ও মঙ্গলের কক্ষপথ অনুকূলে আসে প্রায় প্রতি ২৬ মাস অন্তর। তখনই কার্যকরভাবে মহাকাশযান পাঠানো সম্ভব হয় এবং সেখানে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ছয় মাস।
বিপরীতে চাঁদে মহাকাশযান নিয়মিত বিরতিতে উৎক্ষেপণ করা যায় এবং যাত্রাসময় মাত্র দুই দিন। ফলে সরবরাহ, প্রযুক্তি পাঠানো এবং মানবসম্পদ স্থানান্তর তুলনামূলক সহজ।
ধারণা করা হচ্ছে, চাঁদের মাটি বা রেগোলিথ থেকে অক্সিজেন ও পানি উৎপাদন, স্থানীয় উপাদান দিয়ে নির্মাণসামগ্রী তৈরি এবং সৌরশক্তিনির্ভর বিদ্যুৎব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো পূর্ণাঙ্গ নকশা প্রকাশ করা হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা পরিকল্পনাটিকে উচ্চাভিলাষী হলেও পুরোপুরি অবাস্তব মনে করছেন না। যুক্তরাজ্যের সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাকাশবিষয়ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ড. সাংউ লিম বলেন, প্রযুক্তিগতভাবে অনেক অগ্রগতি হলেও চাঁদের চরম তাপমাত্রা, সূক্ষ্ম ধুলিকণা, কম মাধ্যাকর্ষণ এবং সীমিত শক্তি সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
এরই মধ্যে স্পেসএক্স বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে, চাঁদ অভিযানে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের মার্চে মানুষবিহীন অবতরণের পরিকল্পনার কথাও সামনে এসেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার আর্ট মিস প্রোগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করছে স্পেসএক্স।
মন্তব্য করুন

